মালয়েশিয়া প্রবাসী রুহুল আমিন বাবু নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে বিকাশ এজেন্ট সিম ব্যবহার করে অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়ার ব্যবসা পরিচালনার চরম অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত রুহুল আমিন বাবু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার সিরামপুর গ্রামের নিলু মিয়া (ওরফে রশীদ মিয়া)-র ছেলে। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন, তবে তার বর্তমান ঠিকানা হিসেবে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ‘বরাব’ এলাকায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রুহুল আমিন দীর্ঘ দিন ধরে প্রবাসে থাকলেও অবৈধ উপায়ে বাংলাদেশের বিকাশ এজেন্ট সিম সংগ্রহ করেন। সেই সিমের মাধ্যমে অনলাইনের বিভিন্ন অবৈধ ক্যাসিনো ও জুয়ার অ্যাপে লেনদেন পরিচালনা করতেন তিনি। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জুয়াড়িদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে তা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো বলে প্রাথমিক অভিযোগে বলা হয়েছে।
প্রবাসে বসে দেশীয় মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা ব্যবহার করে এমন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা। ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ফিনান্সিয়াল ক্রাইম রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অপরাধ তদন্ত সংস্থাগুলো ডিজিটাল মাধ্যমে এ ধরনের অবৈধ আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
মালয়েশিয়া প্রবাসী রুহুল আমিন বাবু নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে বিকাশ এজেন্ট সিম ব্যবহার করে অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়ার ব্যবসা পরিচালনার চরম অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত রুহুল আমিন বাবু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার সিরামপুর গ্রামের নিলু মিয়া (ওরফে রশীদ মিয়া)-র ছেলে। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন, তবে তার বর্তমান ঠিকানা হিসেবে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ‘বরাব’ এলাকায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রুহুল আমিন দীর্ঘ দিন ধরে প্রবাসে থাকলেও অবৈধ উপায়ে বাংলাদেশের বিকাশ এজেন্ট সিম সংগ্রহ করেন। সেই সিমের মাধ্যমে অনলাইনের বিভিন্ন অবৈধ ক্যাসিনো ও জুয়ার অ্যাপে লেনদেন পরিচালনা করতেন তিনি। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জুয়াড়িদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে তা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো বলে প্রাথমিক অভিযোগে বলা হয়েছে।
প্রবাসে বসে দেশীয় মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা ব্যবহার করে এমন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা। ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ফিনান্সিয়াল ক্রাইম রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অপরাধ তদন্ত সংস্থাগুলো ডিজিটাল মাধ্যমে এ ধরনের অবৈধ আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

আপনার মতামত লিখুন