BD State News
সর্বশেষ

মধুখালীতে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে নিহত তিন, আহত ৪

মধুখালীতে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তিন সদস্য নিহত, আহত ৪ জন।ফরিদপুরের মধুখালীতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। নিহত তিনজনই ‘ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ’ নামের একটি সামাজিক সংগঠনের সদস্য। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার আড়কান্দি এলাকায় এম রহমান ব্রিকসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন, মাগুরা সদর উপজেলার মালিগ্রাম এলাকার মো. বশারত মোল্লার ছেলে মো. রাব্বি (২১), আঠারোখাদা গ্রামের আবুজর মোহাম্মদ রুহুল্লার মেয়ে ঐশি আক্তার (২৪) এবং বারাশিয়া গ্রামের মো. হান্নান বিশ্বাসের ছেলে নুর মোহাম্মদ আরিফ (২১)। রাব্বি সংগঠনটির মাগুরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর থেকে মাগুরাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে ‘কিং ফিশার’ নামের একটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সের তিন যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং চারজন আহত হন।খবর পেয়ে মধুখালী ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ চালান। আহতদের মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতদের মরদেহ করিমপুর হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে।সংগঠনটির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত রহমান জানান, নিহতরা সবাই ‘ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ’ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফরিদপুরে সংগঠনটির একটি সভায় অংশগ্রহণ শেষে মাগুরায় ফেরার পথে তাঁরা দুর্ঘটনার শিকার হন। তিনি নিহতদের পরিচয় ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সৈয়দপুর রেলকারখানায় কোচ সংস্কারের মান দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রেলমন্ত্রী

দেশের ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় কোচ সংস্কারকাজের মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কারখানা পরিদর্শনকালে একটি কোচের জানালা সংস্কারের কাজ দেখে তিনি ক্ষোভ জানান এবং কাজের মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারখানার ক্যারেজ শপে ৭৩১৭ নম্বর বিজি কোচের জানালা সংস্কারকাজ পর্যবেক্ষণ করেন মন্ত্রী। এ সময় জানালার ফ্রেমে ব্যবহৃত পাতলা অ্যালুমিনিয়াম পাত ও সংস্কারকাজের ধরন নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদের সঙ্গে কথা বলার সময় মন্ত্রী সংস্কারকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, জানালা সংস্কারের কাজে আরও যত্ন, দক্ষতা ও উন্নত মান বজায় রাখা প্রয়োজন।পরিদর্শনকালে কাজের মান দেখে মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। তবে তাঁর বক্তব্যকে কারখানার সব ধরনের কোচ সংস্কারকাজ বন্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হিসেবে বিবেচনা করার ভিত্তি পাওয়া যায়নি।মন্ত্রী কারখানার বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং কোচ মেরামত ও সংস্কারকাজে ব্যবহৃত উপকরণ ও খুচরা যন্ত্রাংশের গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন তিনি।সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা দেশের রেলকোচ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এ প্রতিষ্ঠানে সংস্কারকাজের মান বজায় রাখা রেলওয়ের সম্পদ সংরক্ষণ এবং যাত্রীসেবার নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রীর এই পরিদর্শনে কারখানার কাজের মান ও তদারকি নিয়ে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) হাবিবুল হাসান রুমি। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকলিমা, কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ, কর্মব্যবস্থাপক এম মমতাজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সৈয়দপুর রেলকারখানায় কোচ সংস্কারের মান দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রেলমন্ত্রী

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা

তরলীকৃত পেট্রলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনাজি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অক্টোবরের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) এ ঘোষণা দেওয়া হয়।এর আগে বিদায়ী সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তারও আগে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা
১১ আগস্ট ২০২৫, ০১:৫১ এএম
সরকারি অফিসের ৫০ শতাংশ লোকজন কাজ না করে বসে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আপনি কি তাই মনে করেন?

সরকারি অফিসের ৫০ শতাংশ লোকজন কাজ না করে বসে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৮৫ জন
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট, চবি ছাত্রদল নেতাকে শোকজ

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট, চবি ছাত্রদল নেতাকে শোকজ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন হৃদয়কে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদ।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নোটিশে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দায়িত্বশীল পদে থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে সাজ্জাদ হোসাইনের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের উপস্থিতিতে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারির পর ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন সাজ্জাদ হোসাইন। সেখানে তিনি লেখেন, “ছাত্ররাজনীতির শুরু থেকে বিএনপির যেসব কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি, তার অধিকাংশই ছিল তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে। আজ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। প্রতিবাদ জানালাম।” এই পোস্টের পরই তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।শোকজের বিষয়ে সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, “সংগঠনের প্রতি আমার শতভাগ আনুগত্য রয়েছে। পোস্ট ঘিরে শোকজ করা হলে আমি নিয়ম অনুযায়ী সাংগঠনিক ফোরামে যথাযথ জবাব দেব।” তিনি আরও দাবি করেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার কারণে সরকার বাধ্য হয়ে মূল্য সমন্বয় করেছে—মূলত বিষয়টি তুলে ধরতেই তিনি পোস্টটি দিয়েছিলেন।গত সাত মাসে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দফায় দফায় বেড়েছে। সর্বশেষ গতকাল রোববার রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ নতুন মূল্য নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রল ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবাই যেন আশির দশকের তারকা, ভাইরাল ছবিতে কাকে কেমন লাগছে

সবাই যেন আশির দশকের তারকা, ভাইরাল ছবিতে কাকে কেমন লাগছে

প্রযুক্তির বিবর্তন আর সময়ের সঙ্গে ফ্যাশনের ধরন বদলেছে। তবে অতীতে ফিরে যাওয়ার নস্টালজিক আকর্ষণ এখনো কমেনি। বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের কল্যাণে সেই নস্টালজিয়াই পেয়েছে নতুন মাত্রা।বর্তমানের ছবিকে এআইয়ের মাধ্যমে বদলে চার দশক আগের আশির দশকের আবহে নিজেকে দেখছেন নেটিজেনরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই রেট্রো ট্রেন্ডে এবার গা ভাসিয়েছেন দেশের বিনোদন জগতের তারকারাও।চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা নিজের একটি রেট্রো লুকের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‌‘ট্রেন্ড’। তার সেই ছবিটি ভাইরাল হয়েছে।আরেক নায়িকা তমা মির্জাও নিজের ছবি দিয়েছেন আশির দশকের লুকে। তার ক্যাপশন ‘ট্রেন্ড অনুসরণ করছি।’  ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবও আশির দশকের আবহে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন। ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘আশির দশকের কোনো এক বিকেল থেকে।’এই ট্রেন্ডে পিছিয়ে নেই অভিনেত্রী সাফা কবীর ও তাসনিয়া ফারিণও। আশির দশকের লুকে নিজের ছবি প্রকাশ করে সাফা কবীর লিখেছেন, ‘আশির দশকের উন্মাদনা এখন পুরো ইন্টারনেটজুড়ে, আর চরকি বিষয়টিকে এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছে! আশির দশকের লুকে ডা. ইরিনকে কেমন লাগছে?’সাফার সেই পোস্টে তাসনিয়া ফারিণ মন্তব্য করেছেন, ‘ভালোই হতো।’  সংগীতশিল্পী পড়শীও এআইয়ের মাধ্যমে নিজেকে চার দশক আগের সময়ের একটি ফ্রেমে কল্পনা করেছেন। নিজের ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘১৯৮০ সালে যদি থাকতাম, তাহলে মনে হয় এমন থাকতাম।’আরেক গায়ক প্রতীক হাসান পরিবারের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘পারফেক্ট’।এআইয়ের মাধ্যমে আশির দশকের এই রেট্রো লুক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে। তারকাদের এমন ভিন্নধর্মী উপস্থাপনাও ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে তৈরি করেছে নস্টালজিয়ার আবহ।

বাবাকে হাসপাতালে এনে জমির দলিলে সই নেওয়ার চেষ্টা মেয়ের

বাবাকে হাসপাতালে এনে জমির দলিলে সই নেওয়ার চেষ্টা মেয়ের

অসুস্থ ও চিকিৎসাধীন এক বৃদ্ধ বাবার কাছ থেকে হাসপাতালে শয্যাশায়ী অবস্থায় জমির দলিলে সই বা টিপসই নেওয়ার চেষ্টার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) ভিডিওটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হাসপাতালের একটি বেডে বসে থাকা এক বৃদ্ধের কাছ থেকে জমি-সংক্রান্ত একটি কাগজে স্বাক্ষর করে নেওয়ার চেষ্টা করছেন লোকটির মেয়ে। ওই সময় বৃদ্ধকে শারীরিকভাবে দুর্বল অবস্থায় দেখা যায়।ভিডিও ধারণকারী নারী যখন বার বার বৃদ্ধের মেয়েকে হাসপাতালে দলিল নিয়ে আসার বিষয়ে প্রশ্নবিদ্ধ করছিলেন, সে সময় বৃদ্ধের মেয়ে তাকে বের হয়ে যেতে বলছেন এমনটি শোনা গেছে।ভিডিওটি বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই ঘটনাটিকে অনৈতিক ও অমানবিক বলে মন্তব্য করেছেন। বিশেষ করে, একজন অসুস্থ ও শয্যাশায়ী ব্যক্তির কাছ থেকে তার সম্পত্তি-সংক্রান্ত কোনো নথিতে স্বাক্ষর নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে ওই বৃদ্ধের কাছ থেকে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।নেটিজেনদের একাংশের মতে, পরিবারের কোনো সদস্য অসুস্থ ও দুর্বল অবস্থায় থাকলে তার সম্পত্তি নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, সম্মতি এবং আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় বিষয়টি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের পাশাপাশি আইনগত জটিলতাও তৈরি হতে পারে।এদিকে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির মূল উৎস, ঘটনার স্থান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় এবং দলিলে কী ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তরের কথা ছিল-এসব বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।