বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারখানার ক্যারেজ শপে ৭৩১৭ নম্বর বিজি কোচের জানালা সংস্কারকাজ পর্যবেক্ষণ করেন মন্ত্রী। এ সময় জানালার ফ্রেমে ব্যবহৃত পাতলা অ্যালুমিনিয়াম পাত ও সংস্কারকাজের ধরন নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদের সঙ্গে কথা বলার সময় মন্ত্রী সংস্কারকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, জানালা সংস্কারের কাজে আরও যত্ন, দক্ষতা ও উন্নত মান বজায় রাখা প্রয়োজন।
পরিদর্শনকালে কাজের মান দেখে মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। তবে তাঁর বক্তব্যকে কারখানার সব ধরনের কোচ সংস্কারকাজ বন্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হিসেবে বিবেচনা করার ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
মন্ত্রী কারখানার বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং কোচ মেরামত ও সংস্কারকাজে ব্যবহৃত উপকরণ ও খুচরা যন্ত্রাংশের গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন তিনি।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা দেশের রেলকোচ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এ প্রতিষ্ঠানে সংস্কারকাজের মান বজায় রাখা রেলওয়ের সম্পদ সংরক্ষণ এবং যাত্রীসেবার নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রীর এই পরিদর্শনে কারখানার কাজের মান ও তদারকি নিয়ে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) হাবিবুল হাসান রুমি। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকলিমা, কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ, কর্মব্যবস্থাপক এম মমতাজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারখানার ক্যারেজ শপে ৭৩১৭ নম্বর বিজি কোচের জানালা সংস্কারকাজ পর্যবেক্ষণ করেন মন্ত্রী। এ সময় জানালার ফ্রেমে ব্যবহৃত পাতলা অ্যালুমিনিয়াম পাত ও সংস্কারকাজের ধরন নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদের সঙ্গে কথা বলার সময় মন্ত্রী সংস্কারকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, জানালা সংস্কারের কাজে আরও যত্ন, দক্ষতা ও উন্নত মান বজায় রাখা প্রয়োজন।
পরিদর্শনকালে কাজের মান দেখে মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। তবে তাঁর বক্তব্যকে কারখানার সব ধরনের কোচ সংস্কারকাজ বন্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হিসেবে বিবেচনা করার ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
মন্ত্রী কারখানার বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং কোচ মেরামত ও সংস্কারকাজে ব্যবহৃত উপকরণ ও খুচরা যন্ত্রাংশের গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন তিনি।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা দেশের রেলকোচ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এ প্রতিষ্ঠানে সংস্কারকাজের মান বজায় রাখা রেলওয়ের সম্পদ সংরক্ষণ এবং যাত্রীসেবার নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রীর এই পরিদর্শনে কারখানার কাজের মান ও তদারকি নিয়ে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) হাবিবুল হাসান রুমি। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকলিমা, কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ, কর্মব্যবস্থাপক এম মমতাজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন