নীলফামারীর সৈয়দপুরে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে সাধারণ মানুষ যেন লুটপাট ও হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন গোলাহাট এলাকাবাসী।
একই সঙ্গে মাদক কারবারিদের পাশাপাশি তাঁদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং মাদকবিরোধী নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন তাঁরা।
বৃহস্পতিবার রাতে গোলাহাট কবরস্থান গেটের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাবেক কাউন্সিলর সাবিয়া সুলতানা, হামিদা খাতুন, নেসার, রিয়াজ, আসগার ও জরিনাসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গোলাহাট এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কেউ কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় পাচ্ছেন। তাঁদের দাবি, মাদক কারবারিদের কাছ থেকে সাপ্তাহিক তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে কেউ কেউ তাঁদের সহায়তা করছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে সচেতন নাগরিকেরা মামলা ও হামলার হুমকির মুখে পড়ছেন।
তাঁরা বলেন, মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়া নাগরিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে দমিয়ে রাখার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও প্রয়োজন।
সমাবেশে ‘কাল্টি’ নামে পরিচিত এক নারীকে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা। একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা খুচরা ও পাইকারি মাদক বিক্রেতাদের কার্যক্রম তদন্তের আহ্বান জানান তাঁরা। এসব অভিযোগের বিষয়ে ওই নারীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বক্তারা বলেন, মাদকের বিস্তার তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ, পারিবারিক শান্তি ও সামাজিক পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধু মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই হবে না, মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদেরও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করতে হবে।
একই সঙ্গে তাঁরা সতর্ক করে বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের নামে কোনো নিরীহ মানুষ যেন লুটপাট, হয়রানি, হামলা বা ভাঙচুরের শিকার না হন। এ ধরনের অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদক নির্মূলের নামে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ না পান, সে বিষয়েও প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান তাঁরা।
রাত পর্যন্ত চলা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে বক্তারা মাদক কারবার ও এর পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি মাদকবিরোধী নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া হুমকির অভিযোগ তদন্তের দাবি জানান তাঁরা। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে সাধারণ মানুষ যেন লুটপাট ও হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন গোলাহাট এলাকাবাসী।
একই সঙ্গে মাদক কারবারিদের পাশাপাশি তাঁদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং মাদকবিরোধী নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন তাঁরা।
বৃহস্পতিবার রাতে গোলাহাট কবরস্থান গেটের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাবেক কাউন্সিলর সাবিয়া সুলতানা, হামিদা খাতুন, নেসার, রিয়াজ, আসগার ও জরিনাসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গোলাহাট এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কেউ কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় পাচ্ছেন। তাঁদের দাবি, মাদক কারবারিদের কাছ থেকে সাপ্তাহিক তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে কেউ কেউ তাঁদের সহায়তা করছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে সচেতন নাগরিকেরা মামলা ও হামলার হুমকির মুখে পড়ছেন।
তাঁরা বলেন, মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়া নাগরিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে দমিয়ে রাখার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও প্রয়োজন।
সমাবেশে ‘কাল্টি’ নামে পরিচিত এক নারীকে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা। একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা খুচরা ও পাইকারি মাদক বিক্রেতাদের কার্যক্রম তদন্তের আহ্বান জানান তাঁরা। এসব অভিযোগের বিষয়ে ওই নারীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বক্তারা বলেন, মাদকের বিস্তার তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ, পারিবারিক শান্তি ও সামাজিক পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধু মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই হবে না, মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদেরও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করতে হবে।
একই সঙ্গে তাঁরা সতর্ক করে বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের নামে কোনো নিরীহ মানুষ যেন লুটপাট, হয়রানি, হামলা বা ভাঙচুরের শিকার না হন। এ ধরনের অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদক নির্মূলের নামে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ না পান, সে বিষয়েও প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান তাঁরা।
রাত পর্যন্ত চলা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে বক্তারা মাদক কারবার ও এর পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি মাদকবিরোধী নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া হুমকির অভিযোগ তদন্তের দাবি জানান তাঁরা। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন