রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে সৈয়দপুর শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশবাড়ি সাদরা লেন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে মারধরের অভিযোগে ১০ অক্টোবর শেফালী বেগম বাদী হয়ে নীলফামারীর আদালতে মামলা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহাগের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ নিয়ে এলাকায় অসন্তোষ ছিল। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় যুবক আরাফাত রহমান রানার নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি সোহাগের বাড়িতে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ঘরের বিভিন্ন স্থাপনা ও আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগী শেফালী বেগম অভিযোগ করেন, বাড়ি নির্মাণের সময় আরাফাত রহমান রানা তাঁর কাছে ৬ হাজার টাকা দাবি করেন। ওই টাকা দিতে না পারায় ৯ অক্টোবর তাঁর বাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে তিনি দাবি করেন। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করার পর আবারও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শেফালী বলেন, হামলাকারীরা বাড়ির আসবাবপত্র বাইরে বের করে দেন এবং নগদ অর্থ নিয়ে যান। এ সময় তাঁকেও মারধর করা হয়। পরে তাঁকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দিয়ে স্থানীয় থানায় সোপর্দ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “আমার স্বামী অপরাধ করে থাকলে আইন অনুযায়ী তাঁর বিচার হোক। কিন্তু মাদক নির্মূলের নামে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি পার্লারে কাজ করি। আদালতে মামলা করার পর আদালতের নির্দেশে বাড়িতে ফিরেছিলাম। সেখানে যাওয়ার পর আবারও আমাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।”
শেফালীর দাবি, হামলার পর তাঁর পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। তাঁর ভাষ্য, তাঁর স্বামী সোহাগ অতীতে মাদক সেবন করলেও মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।
অন্যদিকে, আরাফাত রহমান রানা অভিযোগ অস্বীকার না করে দাবি করেন, সোহাগসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ বিষয়ে একাধিকবার সতর্ক করা এবং প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পরও প্রতিকার না পাওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে তিনি দাবি করেন।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, মাদক নির্মূলে প্রতিটি এলাকায় কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কাউকে বাড়িঘর ভাঙচুর বা লুটপাট করতে বলা হয়নি। এ ঘটনায় তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের থাকার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে সৈয়দপুর শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশবাড়ি সাদরা লেন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে মারধরের অভিযোগে ১০ অক্টোবর শেফালী বেগম বাদী হয়ে নীলফামারীর আদালতে মামলা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহাগের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ নিয়ে এলাকায় অসন্তোষ ছিল। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় যুবক আরাফাত রহমান রানার নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি সোহাগের বাড়িতে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ঘরের বিভিন্ন স্থাপনা ও আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগী শেফালী বেগম অভিযোগ করেন, বাড়ি নির্মাণের সময় আরাফাত রহমান রানা তাঁর কাছে ৬ হাজার টাকা দাবি করেন। ওই টাকা দিতে না পারায় ৯ অক্টোবর তাঁর বাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে তিনি দাবি করেন। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করার পর আবারও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শেফালী বলেন, হামলাকারীরা বাড়ির আসবাবপত্র বাইরে বের করে দেন এবং নগদ অর্থ নিয়ে যান। এ সময় তাঁকেও মারধর করা হয়। পরে তাঁকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দিয়ে স্থানীয় থানায় সোপর্দ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “আমার স্বামী অপরাধ করে থাকলে আইন অনুযায়ী তাঁর বিচার হোক। কিন্তু মাদক নির্মূলের নামে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি পার্লারে কাজ করি। আদালতে মামলা করার পর আদালতের নির্দেশে বাড়িতে ফিরেছিলাম। সেখানে যাওয়ার পর আবারও আমাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।”
শেফালীর দাবি, হামলার পর তাঁর পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। তাঁর ভাষ্য, তাঁর স্বামী সোহাগ অতীতে মাদক সেবন করলেও মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।
অন্যদিকে, আরাফাত রহমান রানা অভিযোগ অস্বীকার না করে দাবি করেন, সোহাগসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ বিষয়ে একাধিকবার সতর্ক করা এবং প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পরও প্রতিকার না পাওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে তিনি দাবি করেন।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, মাদক নির্মূলে প্রতিটি এলাকায় কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কাউকে বাড়িঘর ভাঙচুর বা লুটপাট করতে বলা হয়নি। এ ঘটনায় তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের থাকার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন