ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগে প্রতিপক্ষ অনেক কিংবদন্তিকে ক্রিকেটারকে চোখের পলকে স্টাম্পিং করতেন। ব্যাট হাতেও ছিলেন দুধর্ষ। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক দলের প্রাথমিক স্কোয়াডের ছিলেম সর্বকনিষ্ঠ সদস্য। এছাড়া এশিয়া কাপ ও জিম্বাবুয়ে ট্যুরেও বাংলাদেশ দলের ছিলেন ষ্টান্ডবাই কিপার। তবে অবসরের পর মেধাবী এই উইকেট কিপারকে খবর কেউ রাখেনি। তাই দীর্ঘ ১৫ বছর দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলা এই উইকেট কিপার এখন হোটেলে হোটেলে গ্যাস সিলিন্ডার বেচে করছেন জীবিকা নির্বাহ।
১৯৯২ সালে সৈয়দপুরের ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্মাণ স্কুল ক্রিকেট দিয়ে তার যাত্রা শুরু। কিপিংয়ে দ্রুততা আর নিচের দিকে ব্যাটিংয়ে আক্রমণাত্মক উপস্থিতি তাকে দ্রুত আলোচনায় নিয়ে আসে।
ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের হয়ে কোয়ালিফাইং লীগে খেলে ডাক পান অনূর্ধ্ব-১৬ জাতীয় দলে। যদিও অজ্ঞাত কারণে সেই ট্যুর বাতিল হয়, তবে ক্যাম্পে দেশসেরা কোচদের অধীনে অনুশীলনের সুযোগ পান। সেখানেই নিজেকে আরও শানিত করেন।
১৯৯৪ সালে দ্বিতীয় বিভাগে উত্তরার হয়ে খেলতে যান। একক নৈপুণ্যে দলকে ফাইনালে তোলেন এবং টানা দুই বছর লীগসেরা উইকেটকিপারের স্বীকৃতি পান। ১৯৯৬ সালে প্রথম বিভাগের দল আজাদ স্পোর্টিং ক্লাবে যোগ দেন। তার পারফরম্যান্সে দল প্রিমিয়ার লীগে উন্নীত হয়।
১৯৯৭ সালে প্রিমিয়ার লীগে তার কিপিং ও ব্যাটিং নজর কাড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ও বাংলাদেশী কোচ গর্ডন গ্রিনিজের ।
সেই বছর মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি-র ৪৪ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াডে ডাক পান মুখতার। এক মাসের ক্যাম্পে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে আরও ছিলেন কয়েকজন প্রতিষ্ঠিত কিপার। চূড়ান্ত দলে জায়গা না হলেও তার সামর্থ্য প্রমাণিত হয়।
একই বছর আজাদের হয়ে ওরিয়েন্টের বিপক্ষে ১২৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন—যা ছিল সে মৌসুমের অন্যতম সেরা ইনিংস।
পরের বছর ব্রাদার্স ইউনিয়নে যোগ দেন। অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজনের নেতৃত্বে লীগে সর্বোচ্চ ২৬টি ডিসমিসাল করেন এবং ব্যাট হাতে খেলেন দুটি অর্ধশতক।
এশিয়া কাপের দলে ডাক পেলেও নিয়মিত কিপার থাকায় স্ট্যান্ডবাই হিসেবেই থাকতে হয়। ক্রমাগত পারফরম্যান্সে সুযোগ পান বাংলাদেশ বিমানে খেলার।
এ সময় বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা লাভ করে, আন্তর্জাতিক পরিসর বাড়ে। জিম্বাবুয়ে সফরের আগে নিয়মিত কিপার খালেদ মাসুদ (পাইলট) অনুশীলনে আহত হলে ডাক আসে মুখতারের কাছে। জাতীয় দলে অভিষেকের স্বপ্ন তখন একেবারে সামনে।
কিন্তু নিয়তি নির্মম। নেট অনুশীলনেই ডান পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায় তার। ডাক পেয়েও জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলা আর হলো না। ভারতে চিকিৎসা নিয়ে আবার মাঠে ফেরেন। এরপর আবাহনী, মোহামেডান, সূর্যতরুণসহ শীর্ষ ক্লাবগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলেছেন। দ্রুতগতির বোলার হোক বা স্পিনার—স্টাম্পের পেছনে তিনি ছিলেন নির্ভরতার প্রতীক।
অবসরের পর কোচিংয়ে মনোনিবেশ করেন। লেভেল ওয়ান কোচিং সম্পন্ন করে জেলা পর্যায়ে দায়িত্ব পেলেও স্থানীয় রাজনৈতিক জটিলতায় তা কার্যকর হয়নি।
তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান -এর আদর্শের অনুসারী হওয়ায় রাজনৈতীক প্রতিহিংসার বলী হয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর নিজভুমে বঞ্চিত জন।
শুধু তাই নয়, জীবনে বড় আঘাত পান ২০২৪ সালে একমাত্র ছেলে ইসমাইল সিদ্দিকী অসুস্থ হয়ে ইন্তেকাল করেন।
এই শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি। বর্তমানে স্ত্রী ও একমাত্র মেয়েকে শহরের পুরাতন বাবু পাড়ার একটি টিনশেড বাড়িতে বসবাস করছেন।
আর জীবিকার তাগিদে বাজারে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করছেন গ্যাস সিলিন্ডার। এতে সিলিন্ডার প্রতি যা লাভ তা দিয়ে চলে সংসারের ভরন পোষন।
মুখতার জানায়, অবসরের পর বিসিবি থেকে জেলার দায়িত্ব দেবে বলে ততকালীন গেম ডেভেলপমেন্ট এার চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন একটি চিঠি দিয়েছিলেন নীলফামারীকে।
তবে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোন চিঠি পাননি। এরপর ক্ষোভে নীলফামারী ক্রীকেটের সাথে দুরত্ব বাড়িয়ে দেন।
তিনি বলেন, ক্রীকেট মাঠে খেলেছি যোগ্যতা দিয়ে। কোন সুপারিশে নয়, তাই ক্রিকেটে ফিরতে কারও সহানুভূতি চাই না।
এক সময় এই ক্রিকেটারের সতীর্থ ছিলেন, মোহাম্মদ রফিক, এনামুল হক মনি, আকরাম খন, আতাহার আলী খান, হাবিবুল বাশার সুমম, দুর্জয়, মাশরাফি বিন মরতুজা, তামিম ইকবালসহ কয়েক প্রজন্মের কিংবদন্তী ক্রিকেটার।
আজ তিনি সৈয়দপুর শহরের পথে গ্যাস সিলিন্ডার বেচে দিনাতিপাত করছে। যা দেশের ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত লজ্জার।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক বাঁহাতি ওপেনার হুমায়ুন কবির বলেন, মুখতারের মতো কিপিং প্রতিভা বিরল। ‘পাইলট’ যুগে না জন্মালে দীর্ঘদিন জাতীয় দলে খেলতে পারতেন।
তবে অবসরের পর তাকে মূল্যায়ন করলে বাংলাদেশ ক্রিকেট লাভবান হতো। বিসিবির উচিত তার অভিজ্ঞতা ও মেধা অনুযায়ী দায়িত্ব দেওয়া।
মুখতারের মতো অভিজ্ঞদের জায়গা হলে দেশীয় ক্রিকেট আরও সমৃদ্ধ হতো। তার ঘাটতি উত্তরাঞ্চলসহ দেশের ক্রিকেটে এখনও অনুভূত হয়। মুখতার সিদ্দিকী কেবল একজন ক্রিকেটারের অপূর্ণ স্বপ্নের নাম নয়। এটি লড়াইয়ের গল্প। গৌরবময় দিন পেরিয়ে আজ তিনি সংগ্রামী মানুষ। তবু বিকেলের মাঠে গ্লাভস হাতে দাঁড়ালে চোখে আবার জ্বলে ওঠে সেই পুরোনো আগুন।
তার লড়াইয়ের উপাখ্যান পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পাথেয় হলেও নিজ ভুমে এখনও অচেনা জাতীয় এ সাবেক ক্রিকেটার। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক গ্যারাকলে বারবার তাকে হারিয়ে গন্তব্যহীন অচেনা পথিকে পরিণত করেন স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের অভিভাবকরা।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগে প্রতিপক্ষ অনেক কিংবদন্তিকে ক্রিকেটারকে চোখের পলকে স্টাম্পিং করতেন। ব্যাট হাতেও ছিলেন দুধর্ষ। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক দলের প্রাথমিক স্কোয়াডের ছিলেম সর্বকনিষ্ঠ সদস্য। এছাড়া এশিয়া কাপ ও জিম্বাবুয়ে ট্যুরেও বাংলাদেশ দলের ছিলেন ষ্টান্ডবাই কিপার। তবে অবসরের পর মেধাবী এই উইকেট কিপারকে খবর কেউ রাখেনি। তাই দীর্ঘ ১৫ বছর দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলা এই উইকেট কিপার এখন হোটেলে হোটেলে গ্যাস সিলিন্ডার বেচে করছেন জীবিকা নির্বাহ।
১৯৯২ সালে সৈয়দপুরের ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্মাণ স্কুল ক্রিকেট দিয়ে তার যাত্রা শুরু। কিপিংয়ে দ্রুততা আর নিচের দিকে ব্যাটিংয়ে আক্রমণাত্মক উপস্থিতি তাকে দ্রুত আলোচনায় নিয়ে আসে।
ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের হয়ে কোয়ালিফাইং লীগে খেলে ডাক পান অনূর্ধ্ব-১৬ জাতীয় দলে। যদিও অজ্ঞাত কারণে সেই ট্যুর বাতিল হয়, তবে ক্যাম্পে দেশসেরা কোচদের অধীনে অনুশীলনের সুযোগ পান। সেখানেই নিজেকে আরও শানিত করেন।
১৯৯৪ সালে দ্বিতীয় বিভাগে উত্তরার হয়ে খেলতে যান। একক নৈপুণ্যে দলকে ফাইনালে তোলেন এবং টানা দুই বছর লীগসেরা উইকেটকিপারের স্বীকৃতি পান। ১৯৯৬ সালে প্রথম বিভাগের দল আজাদ স্পোর্টিং ক্লাবে যোগ দেন। তার পারফরম্যান্সে দল প্রিমিয়ার লীগে উন্নীত হয়।
১৯৯৭ সালে প্রিমিয়ার লীগে তার কিপিং ও ব্যাটিং নজর কাড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ও বাংলাদেশী কোচ গর্ডন গ্রিনিজের ।
সেই বছর মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি-র ৪৪ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াডে ডাক পান মুখতার। এক মাসের ক্যাম্পে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে আরও ছিলেন কয়েকজন প্রতিষ্ঠিত কিপার। চূড়ান্ত দলে জায়গা না হলেও তার সামর্থ্য প্রমাণিত হয়।
একই বছর আজাদের হয়ে ওরিয়েন্টের বিপক্ষে ১২৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন—যা ছিল সে মৌসুমের অন্যতম সেরা ইনিংস।
পরের বছর ব্রাদার্স ইউনিয়নে যোগ দেন। অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজনের নেতৃত্বে লীগে সর্বোচ্চ ২৬টি ডিসমিসাল করেন এবং ব্যাট হাতে খেলেন দুটি অর্ধশতক।
এশিয়া কাপের দলে ডাক পেলেও নিয়মিত কিপার থাকায় স্ট্যান্ডবাই হিসেবেই থাকতে হয়। ক্রমাগত পারফরম্যান্সে সুযোগ পান বাংলাদেশ বিমানে খেলার।
এ সময় বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা লাভ করে, আন্তর্জাতিক পরিসর বাড়ে। জিম্বাবুয়ে সফরের আগে নিয়মিত কিপার খালেদ মাসুদ (পাইলট) অনুশীলনে আহত হলে ডাক আসে মুখতারের কাছে। জাতীয় দলে অভিষেকের স্বপ্ন তখন একেবারে সামনে।
কিন্তু নিয়তি নির্মম। নেট অনুশীলনেই ডান পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায় তার। ডাক পেয়েও জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলা আর হলো না। ভারতে চিকিৎসা নিয়ে আবার মাঠে ফেরেন। এরপর আবাহনী, মোহামেডান, সূর্যতরুণসহ শীর্ষ ক্লাবগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলেছেন। দ্রুতগতির বোলার হোক বা স্পিনার—স্টাম্পের পেছনে তিনি ছিলেন নির্ভরতার প্রতীক।
অবসরের পর কোচিংয়ে মনোনিবেশ করেন। লেভেল ওয়ান কোচিং সম্পন্ন করে জেলা পর্যায়ে দায়িত্ব পেলেও স্থানীয় রাজনৈতিক জটিলতায় তা কার্যকর হয়নি।
তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান -এর আদর্শের অনুসারী হওয়ায় রাজনৈতীক প্রতিহিংসার বলী হয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর নিজভুমে বঞ্চিত জন।
শুধু তাই নয়, জীবনে বড় আঘাত পান ২০২৪ সালে একমাত্র ছেলে ইসমাইল সিদ্দিকী অসুস্থ হয়ে ইন্তেকাল করেন।
এই শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি। বর্তমানে স্ত্রী ও একমাত্র মেয়েকে শহরের পুরাতন বাবু পাড়ার একটি টিনশেড বাড়িতে বসবাস করছেন।
আর জীবিকার তাগিদে বাজারে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করছেন গ্যাস সিলিন্ডার। এতে সিলিন্ডার প্রতি যা লাভ তা দিয়ে চলে সংসারের ভরন পোষন।
মুখতার জানায়, অবসরের পর বিসিবি থেকে জেলার দায়িত্ব দেবে বলে ততকালীন গেম ডেভেলপমেন্ট এার চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন একটি চিঠি দিয়েছিলেন নীলফামারীকে।
তবে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোন চিঠি পাননি। এরপর ক্ষোভে নীলফামারী ক্রীকেটের সাথে দুরত্ব বাড়িয়ে দেন।
তিনি বলেন, ক্রীকেট মাঠে খেলেছি যোগ্যতা দিয়ে। কোন সুপারিশে নয়, তাই ক্রিকেটে ফিরতে কারও সহানুভূতি চাই না।
এক সময় এই ক্রিকেটারের সতীর্থ ছিলেন, মোহাম্মদ রফিক, এনামুল হক মনি, আকরাম খন, আতাহার আলী খান, হাবিবুল বাশার সুমম, দুর্জয়, মাশরাফি বিন মরতুজা, তামিম ইকবালসহ কয়েক প্রজন্মের কিংবদন্তী ক্রিকেটার।
আজ তিনি সৈয়দপুর শহরের পথে গ্যাস সিলিন্ডার বেচে দিনাতিপাত করছে। যা দেশের ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত লজ্জার।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক বাঁহাতি ওপেনার হুমায়ুন কবির বলেন, মুখতারের মতো কিপিং প্রতিভা বিরল। ‘পাইলট’ যুগে না জন্মালে দীর্ঘদিন জাতীয় দলে খেলতে পারতেন।
তবে অবসরের পর তাকে মূল্যায়ন করলে বাংলাদেশ ক্রিকেট লাভবান হতো। বিসিবির উচিত তার অভিজ্ঞতা ও মেধা অনুযায়ী দায়িত্ব দেওয়া।
মুখতারের মতো অভিজ্ঞদের জায়গা হলে দেশীয় ক্রিকেট আরও সমৃদ্ধ হতো। তার ঘাটতি উত্তরাঞ্চলসহ দেশের ক্রিকেটে এখনও অনুভূত হয়। মুখতার সিদ্দিকী কেবল একজন ক্রিকেটারের অপূর্ণ স্বপ্নের নাম নয়। এটি লড়াইয়ের গল্প। গৌরবময় দিন পেরিয়ে আজ তিনি সংগ্রামী মানুষ। তবু বিকেলের মাঠে গ্লাভস হাতে দাঁড়ালে চোখে আবার জ্বলে ওঠে সেই পুরোনো আগুন।
তার লড়াইয়ের উপাখ্যান পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পাথেয় হলেও নিজ ভুমে এখনও অচেনা জাতীয় এ সাবেক ক্রিকেটার। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক গ্যারাকলে বারবার তাকে হারিয়ে গন্তব্যহীন অচেনা পথিকে পরিণত করেন স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের অভিভাবকরা।

আপনার মতামত লিখুন