গাজীপুরের কালীগঞ্জে গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ জুন২৬) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত গাজীপুর কালীগঞ্জ ও কাপাসিয়া প্রকল্পের গ্রাম আদালত সক্রিয়করন সমন্বকারী রুবি আক্তারের সঞ্চালনায়
প্রকল্পের এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.টি.এম কামরুল ইসলাম।
বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা,গণমাধ্যম কর্মী, জনপ্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত, সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারপ্রাপ্তির একটি কার্যকর মাধ্যম। এর কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে আরও সচেতন করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
কর্মশালায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালতের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
গাজীপুরের কালীগঞ্জে গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ জুন২৬) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত গাজীপুর কালীগঞ্জ ও কাপাসিয়া প্রকল্পের গ্রাম আদালত সক্রিয়করন সমন্বকারী রুবি আক্তারের সঞ্চালনায়
প্রকল্পের এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.টি.এম কামরুল ইসলাম।
বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা,গণমাধ্যম কর্মী, জনপ্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত, সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারপ্রাপ্তির একটি কার্যকর মাধ্যম। এর কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে আরও সচেতন করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
কর্মশালায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালতের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন