গতকাল মঙ্গলবার (২৬ মে ২৬) রাতে উপজেলার বালিগাঁও এলাকা থেকে অভিযুক্ত আসামী মো রহিম ইসলাম(৬০)কে আটক করা হয়।
অন্ত:সত্ত্বা শিশুটির মায়ের লিখিত অভিযোগে কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
জানা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার অফিসের পেছনে একটি বাড়িতে ১৩ বছরের শিশু তার মায়ের সাথে কালীগঞ্জের বালিগাঁও এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। তার মা মুক্তি বেগম স্বামী মো মোর্শেদুল ইসলাম গ্রাম মোহব্বত বাজিত পুর, নীলফাসারী জানান, সে হামিম গ্রুপের রিফাত গামর্ন্টস এ চাকুরী অবস্থায় ১৩ বছরের বড় মেয়েসহ ছোট ২(দুই)মোয়েকে একা বাড়িতে রেখে কাজে যেতেন। সেই ফাঁকে বাড়ির সাবেক কেয়ার টেকার বালিগাঁও এলাকার রহিম এসে তার সাথে দৈহিক মেলা-মেশা করত।
আরো জানা য্য়, ইতি পূর্বে বালিগাঁও এলাকার জাকির মাস্টারের বাড়িতে থাকা অবস্থায় মুরসালিন নামে এক যুবকের সাথে অনৈতিক কাজে ধরা পরলে তাদের মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। এখানেও মুরসাৰিন যাওয়া আসা করত।
স্থানীয়রা জানায়, বেশ কয়েকদিন যাবত শিশু মেয়েটির শরিলের অস্বাভাবিক অবস্থা দেখে সন্দেহ হয়। পরে তার বাড়িতে গিয়ে মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলে বিস্তারিত ঘটনা অবগত হয়।
গত রবিবার রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে স্খনীয়রা আ: রহিম (৬০) পিতা মৃত ওহাব আলী বালিগাঁও, ৫ নং ওয়ার্ডকে দেখে আটক করে বেদম মারধর করে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে রহিমকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে ভূক্তভোগী শিশুকে ২২ ধারা জবানবন্দি করতে গাজিপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেন কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো জাকির হোসেন বলেন, গতকাল রাতে স্থানীয়রা রহিম নামে একজনকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিল। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ মঙ্গলবার ৯(১) ধারায় নারীও শিশু নির্যাতন আইন ২০০৩ এর একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং ২৬(৫)২৬। ইতিমধ্যে ভিক্টিমকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
গতকাল মঙ্গলবার (২৬ মে ২৬) রাতে উপজেলার বালিগাঁও এলাকা থেকে অভিযুক্ত আসামী মো রহিম ইসলাম(৬০)কে আটক করা হয়।
অন্ত:সত্ত্বা শিশুটির মায়ের লিখিত অভিযোগে কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
জানা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার অফিসের পেছনে একটি বাড়িতে ১৩ বছরের শিশু তার মায়ের সাথে কালীগঞ্জের বালিগাঁও এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। তার মা মুক্তি বেগম স্বামী মো মোর্শেদুল ইসলাম গ্রাম মোহব্বত বাজিত পুর, নীলফাসারী জানান, সে হামিম গ্রুপের রিফাত গামর্ন্টস এ চাকুরী অবস্থায় ১৩ বছরের বড় মেয়েসহ ছোট ২(দুই)মোয়েকে একা বাড়িতে রেখে কাজে যেতেন। সেই ফাঁকে বাড়ির সাবেক কেয়ার টেকার বালিগাঁও এলাকার রহিম এসে তার সাথে দৈহিক মেলা-মেশা করত।
আরো জানা য্য়, ইতি পূর্বে বালিগাঁও এলাকার জাকির মাস্টারের বাড়িতে থাকা অবস্থায় মুরসালিন নামে এক যুবকের সাথে অনৈতিক কাজে ধরা পরলে তাদের মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। এখানেও মুরসাৰিন যাওয়া আসা করত।
স্থানীয়রা জানায়, বেশ কয়েকদিন যাবত শিশু মেয়েটির শরিলের অস্বাভাবিক অবস্থা দেখে সন্দেহ হয়। পরে তার বাড়িতে গিয়ে মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলে বিস্তারিত ঘটনা অবগত হয়।
গত রবিবার রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে স্খনীয়রা আ: রহিম (৬০) পিতা মৃত ওহাব আলী বালিগাঁও, ৫ নং ওয়ার্ডকে দেখে আটক করে বেদম মারধর করে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে রহিমকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে ভূক্তভোগী শিশুকে ২২ ধারা জবানবন্দি করতে গাজিপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেন কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো জাকির হোসেন বলেন, গতকাল রাতে স্থানীয়রা রহিম নামে একজনকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিল। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ মঙ্গলবার ৯(১) ধারায় নারীও শিশু নির্যাতন আইন ২০০৩ এর একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং ২৬(৫)২৬। ইতিমধ্যে ভিক্টিমকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন