সাভারে মাদক কাণ্ডে গ্রেফতারের ঘটনার পরও থামছে না বিতর্ক। বরং নতুন করে সমালোচনার ঝড় উঠেছে ছাত্রদল নেতা মাহবুব সামীরকে ঘিরে। সম্প্রতি বিপুল পরিমাণ হেরোইনসহ গ্রেফতার হওয়া হৃদয়, মাহবুব সামীরের আপন ছোট ভাই এই ঘটনার পর তার পরিবার সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে। আর এই সংবাদ সম্মেলনই এখন প্রশ্নের মুখে ফেলেছে পুরো বিষয়টিকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু পরিবারের লোকজনই নয় সংবাদ সম্মেলনে এমন
একজন ব্যক্তিকেও আনা হয়েছে, যার বিরুদ্ধেও সাভার থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে,
তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে এফআইআর
নং- ৪৪/৬৩৬ এবং এফআইআর নং- ৬৯।
এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে
ক্ষোভ বাড়ছে। তাদের প্রশ্ন “যারা নিজেরাই মাদক মামলার অভিযুক্ত, তারা আবার
কিসের প্রতিবাদ করছে?”
স্থানীয়দের দাবি, হৃদয় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা
ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এসবের পেছনে তার বড় ভাই মাহবুব
সামীরের নাম ও প্রভাব ব্যবহার করা হতো।
অনেকের মতে, “মাহবুব সামীরের পরিচয়
থাকায় হৃদয় এতদিন এলাকায় দাপটের সাথে চলাফেরা করেছে, কেউ
সহজে কিছু বলতে পারেনি।”
এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, অতীতে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত
থাকলেও হৃদয় পরবর্তীতে পরিচয় পরিবর্তন করে যুবদলের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করে। এমনকি
আন্দোলনের সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সব মিলিয়ে, মাদক কাণ্ডের পর মানববন্ধনের
এই ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এই পুরো ঘটনার পেছনে কি কোনো বড় চক্র কাজ করছে?
এখন সাধারণ মানুষের একটাই
দাবি, শুধু গ্রেফতারেই
শেষ নয়, বরং যাদের
প্রভাব ও ছত্রছায়ায় এসব কর্মকাণ্ড চলেছে, তাদেরও আইনের
আওতায় আনা হোক।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
সাভারে মাদক কাণ্ডে গ্রেফতারের ঘটনার পরও থামছে না বিতর্ক। বরং নতুন করে সমালোচনার ঝড় উঠেছে ছাত্রদল নেতা মাহবুব সামীরকে ঘিরে। সম্প্রতি বিপুল পরিমাণ হেরোইনসহ গ্রেফতার হওয়া হৃদয়, মাহবুব সামীরের আপন ছোট ভাই এই ঘটনার পর তার পরিবার সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে। আর এই সংবাদ সম্মেলনই এখন প্রশ্নের মুখে ফেলেছে পুরো বিষয়টিকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু পরিবারের লোকজনই নয় সংবাদ সম্মেলনে এমন
একজন ব্যক্তিকেও আনা হয়েছে, যার বিরুদ্ধেও সাভার থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে,
তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে এফআইআর
নং- ৪৪/৬৩৬ এবং এফআইআর নং- ৬৯।
এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে
ক্ষোভ বাড়ছে। তাদের প্রশ্ন “যারা নিজেরাই মাদক মামলার অভিযুক্ত, তারা আবার
কিসের প্রতিবাদ করছে?”
স্থানীয়দের দাবি, হৃদয় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা
ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এসবের পেছনে তার বড় ভাই মাহবুব
সামীরের নাম ও প্রভাব ব্যবহার করা হতো।
অনেকের মতে, “মাহবুব সামীরের পরিচয়
থাকায় হৃদয় এতদিন এলাকায় দাপটের সাথে চলাফেরা করেছে, কেউ
সহজে কিছু বলতে পারেনি।”
এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, অতীতে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত
থাকলেও হৃদয় পরবর্তীতে পরিচয় পরিবর্তন করে যুবদলের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করে। এমনকি
আন্দোলনের সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সব মিলিয়ে, মাদক কাণ্ডের পর মানববন্ধনের
এই ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এই পুরো ঘটনার পেছনে কি কোনো বড় চক্র কাজ করছে?
এখন সাধারণ মানুষের একটাই
দাবি, শুধু গ্রেফতারেই
শেষ নয়, বরং যাদের
প্রভাব ও ছত্রছায়ায় এসব কর্মকাণ্ড চলেছে, তাদেরও আইনের
আওতায় আনা হোক।

আপনার মতামত লিখুন