কুমিল্লার দেবিদ্বারে কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত ৪টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও প্রায় ১ হাজার ফুট পাইপ বিনষ্ট করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দিনব্যাপী উপজেলার ইউসুফপুর ও বড়শালঘর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় যৌথভাবে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অশোক বিক্রম চাকমা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সল উদ্দিন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ইউসুফপুর ইউনিয়নের পীরমহেশপুর এলাকায় গোপনে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত ২টি ড্রেজার ও প্রায় ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়। পরবর্তীতে বড়শালঘর ইউনিয়নে পৃথক অভিযান চালিয়ে আরও ২টি ড্রেজার এবং প্রায় ৫০০ ফুট পাইপ বিনষ্ট করে প্রশাসন। দুই স্থান মিলিয়ে মোট ৪টি ড্রেজার ও ১ হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়।
অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, "অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের ফলে কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ফসলি জমি ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সামগ্রিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। পরিবেশের সুরক্ষা ও কৃষিজমি বাঁচাতে এ ধরনের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।"
তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এবং কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ মাটি উত্তোলনকারী ও ড্রেজার ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন কঠোর নজরদারি ও আইনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার দেবিদ্বারে কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত ৪টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও প্রায় ১ হাজার ফুট পাইপ বিনষ্ট করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দিনব্যাপী উপজেলার ইউসুফপুর ও বড়শালঘর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় যৌথভাবে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অশোক বিক্রম চাকমা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সল উদ্দিন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ইউসুফপুর ইউনিয়নের পীরমহেশপুর এলাকায় গোপনে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত ২টি ড্রেজার ও প্রায় ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়। পরবর্তীতে বড়শালঘর ইউনিয়নে পৃথক অভিযান চালিয়ে আরও ২টি ড্রেজার এবং প্রায় ৫০০ ফুট পাইপ বিনষ্ট করে প্রশাসন। দুই স্থান মিলিয়ে মোট ৪টি ড্রেজার ও ১ হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়।
অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, "অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের ফলে কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ফসলি জমি ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সামগ্রিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। পরিবেশের সুরক্ষা ও কৃষিজমি বাঁচাতে এ ধরনের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।"
তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এবং কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ মাটি উত্তোলনকারী ও ড্রেজার ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন কঠোর নজরদারি ও আইনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন