শফিউল্লাহর দাবি, একটি নারী ও শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত মামলায় দ্বিতীয় আসামি হিসেবে তাঁকে গত ৮ অক্টোবর রাতে তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন থানায় তাঁর ছবি তোলা হয়। পরে ‘ওসি সৈয়দপুর’ নামে একটি ফেসবুক পেজে ছবিটি প্রকাশিত হয় বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, একই সময়ে সেখানে মাদক মামলার এক আসামিও ছিলেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজার সঙ্গে কথা বললে, শফির ভাষ্য অনুযায়ী, ওসি বলেন, “পোস্টে তো নাম দেওয়া হয়নি। সমস্যা নেই।”
শফিউল্লাহ বলেন, কাউকে দোষারোপ করা তাঁর উদ্দেশ্য নয়। তবে ছবিটি প্রকাশের প্রেক্ষাপট নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন, যাতে জনমনে কোনো ভুল ধারণা তৈরি না হয়।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
শফিউল্লাহর দাবি, একটি নারী ও শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত মামলায় দ্বিতীয় আসামি হিসেবে তাঁকে গত ৮ অক্টোবর রাতে তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন থানায় তাঁর ছবি তোলা হয়। পরে ‘ওসি সৈয়দপুর’ নামে একটি ফেসবুক পেজে ছবিটি প্রকাশিত হয় বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, একই সময়ে সেখানে মাদক মামলার এক আসামিও ছিলেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজার সঙ্গে কথা বললে, শফির ভাষ্য অনুযায়ী, ওসি বলেন, “পোস্টে তো নাম দেওয়া হয়নি। সমস্যা নেই।”
শফিউল্লাহ বলেন, কাউকে দোষারোপ করা তাঁর উদ্দেশ্য নয়। তবে ছবিটি প্রকাশের প্রেক্ষাপট নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন, যাতে জনমনে কোনো ভুল ধারণা তৈরি না হয়।

আপনার মতামত লিখুন