নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় চুরির অভিযোগ থামছে না। সর্বশেষ গত ১১ অক্টোবর বিকেলে কারখানার ২ নম্বর গেট (গোলাহাট কবরস্থান-সংলগ্ন) দিয়ে প্রায় ৪০ কেজি লোহা নিয়ে বের হওয়ার সময় বেলাল নামে পেইন্ট শপের এক ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিসকে আটক করেন নিরাপত্তা সদস্যরা।
পরে বিষয়টি কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফির কাছে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মাজেদুল নামে এক মিস্ত্রির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বেলাল ও মাজেদুলকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এর কয়েক দিন আগেও আকাশ নামে এক কর্মচারীকে মালামালসহ আটক করেছিলেন নিরাপত্তা বিভাগের হাবিলদার আরিফ। তবে পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কী কারণে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল, তা জানা যায়নি।
একই কারখানায় পরপর এমন ঘটনার অভিযোগে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও চুরির অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আগের ঘটনায় আকাশকে ছেড়ে দেওয়ার কারণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় চুরির অভিযোগ থামছে না। সর্বশেষ গত ১১ অক্টোবর বিকেলে কারখানার ২ নম্বর গেট (গোলাহাট কবরস্থান-সংলগ্ন) দিয়ে প্রায় ৪০ কেজি লোহা নিয়ে বের হওয়ার সময় বেলাল নামে পেইন্ট শপের এক ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিসকে আটক করেন নিরাপত্তা সদস্যরা।
পরে বিষয়টি কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফির কাছে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মাজেদুল নামে এক মিস্ত্রির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বেলাল ও মাজেদুলকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এর কয়েক দিন আগেও আকাশ নামে এক কর্মচারীকে মালামালসহ আটক করেছিলেন নিরাপত্তা বিভাগের হাবিলদার আরিফ। তবে পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কী কারণে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল, তা জানা যায়নি।
একই কারখানায় পরপর এমন ঘটনার অভিযোগে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও চুরির অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আগের ঘটনায় আকাশকে ছেড়ে দেওয়ার কারণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন