নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাংগালীপুর নীজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেয়াল ভাঙচুর ও বিদ্যালয়ের দপ্তরি গোলাম রব্বানী আহত হওয়ার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
রোববার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ্ ফাতিহা তাকলিমার কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের দেয়াল ভাঙচুরের একটি ঘটনা ঘটে। এ সময় দপ্তরি গোলাম রব্বানী আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে সৈয়দপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় সৈয়দপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে রুহুল আমিন বাবু, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আমিন এবং সৈয়দপুর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের গাড়িচালক আরিফসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সারেজাহান পারভীন জানান, ঘটনার পর বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। আহত দপ্তরিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে তিনি জানান।
মানববন্ধনে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আবু সরকার বলেন, ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংগালীপুর নীজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তাঁর দাবি, বিদ্যালয়ের জমি ও দেয়ালসংলগ্ন চলাচলের পথ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। এ বিরোধের জেরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। অন্যথায় সৈয়দপুর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন মণ্ডল জানান, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগের পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, “এ অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ হয়েছে। তদন্ত হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটন এবং তদন্তের ভিত্তিতে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাংগালীপুর নীজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেয়াল ভাঙচুর ও বিদ্যালয়ের দপ্তরি গোলাম রব্বানী আহত হওয়ার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
রোববার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ্ ফাতিহা তাকলিমার কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের দেয়াল ভাঙচুরের একটি ঘটনা ঘটে। এ সময় দপ্তরি গোলাম রব্বানী আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে সৈয়দপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় সৈয়দপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে রুহুল আমিন বাবু, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আমিন এবং সৈয়দপুর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের গাড়িচালক আরিফসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সারেজাহান পারভীন জানান, ঘটনার পর বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। আহত দপ্তরিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে তিনি জানান।
মানববন্ধনে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আবু সরকার বলেন, ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংগালীপুর নীজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তাঁর দাবি, বিদ্যালয়ের জমি ও দেয়ালসংলগ্ন চলাচলের পথ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। এ বিরোধের জেরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। অন্যথায় সৈয়দপুর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন মণ্ডল জানান, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগের পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, “এ অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ হয়েছে। তদন্ত হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটন এবং তদন্তের ভিত্তিতে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন