মানিকগঞ্জের সিংগাইরে পারিবারিক কলহ ও পরকীয়া নিয়ে বিরোধের জেরে স্ত্রীর ছুরিকাঘাতে রাশেদুল ইসলাম (৪১) নামে এক পোশাককর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশেদুল ইসলাম লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ধুবনী গ্রামের মৃত সুরমান আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাশেদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে সাভার এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। পরে তাঁরা সিংগাইরের ধল্লা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধল্লা এলাকায় জমি কিনে ছেলে সন্তানকে নিয়ে বসবাস করছিলেন।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। একই সঙ্গে স্বামীর পরকীয়ায় জড়িত থাকার সন্দেহ করতেন স্ত্রী হাসনা বেগম। এরই জেরে বৃহস্পতিবার ভোরে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাসনা বেগম ধারালো ছুরি দিয়ে স্বামীর পেটে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে রাশেদুল গুরুতর আহত হন এবং তাঁর নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে আসে।
পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে অটোরিকশাযোগে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পথিমধ্যে তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর হাসনা বেগম তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন রেখে পালিয়ে যান বলে স্থানীয়রা জানান।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে পারিবারিক কলহ ও পরকীয়া নিয়ে বিরোধের জেরে স্ত্রীর ছুরিকাঘাতে রাশেদুল ইসলাম (৪১) নামে এক পোশাককর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশেদুল ইসলাম লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ধুবনী গ্রামের মৃত সুরমান আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাশেদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে সাভার এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। পরে তাঁরা সিংগাইরের ধল্লা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধল্লা এলাকায় জমি কিনে ছেলে সন্তানকে নিয়ে বসবাস করছিলেন।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। একই সঙ্গে স্বামীর পরকীয়ায় জড়িত থাকার সন্দেহ করতেন স্ত্রী হাসনা বেগম। এরই জেরে বৃহস্পতিবার ভোরে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাসনা বেগম ধারালো ছুরি দিয়ে স্বামীর পেটে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে রাশেদুল গুরুতর আহত হন এবং তাঁর নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে আসে।
পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে অটোরিকশাযোগে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পথিমধ্যে তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর হাসনা বেগম তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন রেখে পালিয়ে যান বলে স্থানীয়রা জানান।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন