নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ৬ নং জাহানপুর ইউনিয়নের বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) এলাকায় পূর্ব শত্রুতা ও করলা ক্ষেতে ছাগল যাওয়াকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং তার স্ত্রীসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার মাত্র এক রাতের মধ্যে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত এজাহারনামীয় প্রধান আসামিসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সাথে হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫:৩০ ঘটিকার সময় বড়শিবপুর এলাকায় করলা ক্ষেতে ছাগল প্রবেশকে কেন্দ্র করে আবুল কাশেম ও রনিদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা তীব্র মারামারিতে রূপ নেয়। মারামারিতে আবুল কাশেমের পক্ষের মোট ৫ জন গুরুতর জখম হন। স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেম মৃত্যুবরণ করেন।
নিহতের স্ত্রী গুরুতর আশঙ্কাজনক অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকি জখমীরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই ঘটনায় নিহতের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা রুজুর পরপরই নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার স্যারের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় এবং ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল গঠন করা হয়। আভিযানিক দলটি পার্শ্ববর্তী জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় ৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন:
১. মোঃ রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), পিতা: মোঃ আঃ হাকিম
২. মোঃ আঃ হাকিম (৬০), পিতা: মৃত আঃ গফুর
৩. মোঃ কফিল উদ্দিন (৬৫), পিতা: মৃত আঃ গফুর
৪. মোসাঃ আকলিমা বেগম (৩৫), স্বামী: মোঃ ফেরদৌস হোসেন
৫. মোসাঃ হামিদা বেগম (৩৮), পিতা: মৃত ইসমাইল হোসেন
৬. মোসাঃ ফরিদা বেগম (৫০), স্বামী: মোঃ আঃ হাকিম
৭. মোসাঃ জিয়াসমিন বেগম (২১), স্বামী: মোঃ রাকিবুল ইসলাম রনি
গ্রেফতারকৃত সকল আসামির বাড়ি ধামইরহাট উপজেলার বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) গ্রামে। ধামইরহাট থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ৬ নং জাহানপুর ইউনিয়নের বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) এলাকায় পূর্ব শত্রুতা ও করলা ক্ষেতে ছাগল যাওয়াকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং তার স্ত্রীসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার মাত্র এক রাতের মধ্যে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত এজাহারনামীয় প্রধান আসামিসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সাথে হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫:৩০ ঘটিকার সময় বড়শিবপুর এলাকায় করলা ক্ষেতে ছাগল প্রবেশকে কেন্দ্র করে আবুল কাশেম ও রনিদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা তীব্র মারামারিতে রূপ নেয়। মারামারিতে আবুল কাশেমের পক্ষের মোট ৫ জন গুরুতর জখম হন। স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেম মৃত্যুবরণ করেন।
নিহতের স্ত্রী গুরুতর আশঙ্কাজনক অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকি জখমীরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই ঘটনায় নিহতের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা রুজুর পরপরই নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার স্যারের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় এবং ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল গঠন করা হয়। আভিযানিক দলটি পার্শ্ববর্তী জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় ৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন:
১. মোঃ রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), পিতা: মোঃ আঃ হাকিম
২. মোঃ আঃ হাকিম (৬০), পিতা: মৃত আঃ গফুর
৩. মোঃ কফিল উদ্দিন (৬৫), পিতা: মৃত আঃ গফুর
৪. মোসাঃ আকলিমা বেগম (৩৫), স্বামী: মোঃ ফেরদৌস হোসেন
৫. মোসাঃ হামিদা বেগম (৩৮), পিতা: মৃত ইসমাইল হোসেন
৬. মোসাঃ ফরিদা বেগম (৫০), স্বামী: মোঃ আঃ হাকিম
৭. মোসাঃ জিয়াসমিন বেগম (২১), স্বামী: মোঃ রাকিবুল ইসলাম রনি
গ্রেফতারকৃত সকল আসামির বাড়ি ধামইরহাট উপজেলার বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) গ্রামে। ধামইরহাট থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন