মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ৬৮ বছর ধরে চলা মামলার রায়ের পর বেদখল থাকা ৪৫৩ শতাংশ জমি ও একটি মন্দিরের দখল মূল মালিকের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিংগাইর পৌরসভার আঙ্গারিয়া মহল্লাসহ বিভিন্ন এলাকায় আদালতের রায় বাস্তবায়নে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা জজ আদালতের প্রতিনিধিদল ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা বেদখল জমি চিহ্নিত করে মূল মালিক কমল চক্রবর্তীর কাছে দখল বুঝিয়ে দেন।
রায় বাস্তবায়নকালে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জজ আদালতের নাজির মো. আব্দুল কাদের, জেলা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট ও কমিশনার আব্দুস সামাদ, সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ মানবেন্দ্র বালোসহ পুলিশের সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমির দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পক্ষগুলোর মধ্যে বিরোধ ও মামলা চলছিল। প্রায় ৬৮ বছর ধরে চলা আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে জমি ও মন্দিরের দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
রায় বাস্তবায়নের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিলেন। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম শেষ হয়।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ৬৮ বছর ধরে চলা মামলার রায়ের পর বেদখল থাকা ৪৫৩ শতাংশ জমি ও একটি মন্দিরের দখল মূল মালিকের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিংগাইর পৌরসভার আঙ্গারিয়া মহল্লাসহ বিভিন্ন এলাকায় আদালতের রায় বাস্তবায়নে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা জজ আদালতের প্রতিনিধিদল ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা বেদখল জমি চিহ্নিত করে মূল মালিক কমল চক্রবর্তীর কাছে দখল বুঝিয়ে দেন।
রায় বাস্তবায়নকালে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জজ আদালতের নাজির মো. আব্দুল কাদের, জেলা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট ও কমিশনার আব্দুস সামাদ, সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ মানবেন্দ্র বালোসহ পুলিশের সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমির দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পক্ষগুলোর মধ্যে বিরোধ ও মামলা চলছিল। প্রায় ৬৮ বছর ধরে চলা আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে জমি ও মন্দিরের দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
রায় বাস্তবায়নের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিলেন। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম শেষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন