“গাহি সাম্যের গান—মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাজীপুরের কালীগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে নজরুল বর্ষ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলন বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সাম্য, বিদ্রোহ ও প্রেমের কবি। তাঁর সাহিত্য ও গান মানুষকে অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে এবং মানবপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে শিক্ষা দেয়। নতুন প্রজন্মকে নজরুলের আদর্শ ও সৃষ্টিকর্ম সম্পর্কে জানার পাশাপাশি তাঁর চেতনা নিজেদের জীবনে ধারণ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২৬) বিকেলে কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের সেন্ট নিকোলাস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্যকর্ম, দেশপ্রেম, সাম্য ও মানবতার দর্শন নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত বাঙালির সাংস্কৃতিক চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাঁর সৃষ্টিকর্ম নতুন প্রজন্মকে অন্যায়, বৈষম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সচেতন হতে অনুপ্রেরণা জোগায়।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম বলেন, নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করতে জাতীয় কবিদের সৃষ্টিশীল কর্ম সম্পর্কে জানানো প্রয়োজন। নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মননশীলতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে এর আগে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার বিতরণ করেন। পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। নজরুলের কবিতা, গান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠানস্থল। আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
“গাহি সাম্যের গান—মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাজীপুরের কালীগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে নজরুল বর্ষ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলন বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সাম্য, বিদ্রোহ ও প্রেমের কবি। তাঁর সাহিত্য ও গান মানুষকে অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে এবং মানবপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে শিক্ষা দেয়। নতুন প্রজন্মকে নজরুলের আদর্শ ও সৃষ্টিকর্ম সম্পর্কে জানার পাশাপাশি তাঁর চেতনা নিজেদের জীবনে ধারণ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২৬) বিকেলে কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের সেন্ট নিকোলাস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্যকর্ম, দেশপ্রেম, সাম্য ও মানবতার দর্শন নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত বাঙালির সাংস্কৃতিক চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাঁর সৃষ্টিকর্ম নতুন প্রজন্মকে অন্যায়, বৈষম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সচেতন হতে অনুপ্রেরণা জোগায়।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম বলেন, নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করতে জাতীয় কবিদের সৃষ্টিশীল কর্ম সম্পর্কে জানানো প্রয়োজন। নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মননশীলতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে এর আগে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার বিতরণ করেন। পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। নজরুলের কবিতা, গান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠানস্থল। আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন