গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় আজমলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে কয়েকজন যুবক। তারা জানায়, আজমল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার একটি ভবনের চারতলা থেকে লাফিয়ে পড়েছেন। হাসপাতালে নেওয়ার ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। তবে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় পরিবার ও সহপাঠীদের অভিযোগ, তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে খুলনা উত্তাল হয়ে উঠেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সোনাডাঙ্গা প্রধান সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করলে পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রেপ্তার এবং এক মাসের মধ্যে চার্জশিট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির পরই যৌথ অভিযান পরিচালনা শুরু করে আইনশৃংখলা বাহিনী ।
এই ঘটনায় হরিণটানা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পুলিশ ও এসআরবি যৌথভাবে অভিযানে নামে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ২৪ ঘণ্টায় যৌথ অভিযানে এই মামলার ৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানার কুড়িয়ানা আদাবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো. হাসনাত হাবিব রিফাতকে (৩০) গ্রেপ্তার করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৬ ও এসআরবি-৮ এর যৌথ আভিযানিক দল। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার গুনেরগাতি এলাকায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে এসআরবি। পরে তাকে খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) হরিণটানা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আজ মঙ্গলবার (২২/০৯/২০২৬) বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে বরিশাল জেলার উজিরপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতাপ সরকার (২৮) কে গ্রেপ্তার করে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃত প্রতাপের পিতা শিবপদ সরকার, মাতা অনিতা সরকার। তার স্থায়ী ঠিকানা গ্রাম. ধূলগ্রাম সিদ্ধিপাসা, থানা. অভয়নগর, জেলা. যশোর। পালিয়ে বরিশালে আত্মগোপনে থাকলেও শেষ রক্ষা হয়নি তার।
একই মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি তারেক ওরফে রুবেল (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬ এর স্পেশাল কোম্পানি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় আজমলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে কয়েকজন যুবক। তারা জানায়, আজমল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার একটি ভবনের চারতলা থেকে লাফিয়ে পড়েছেন। হাসপাতালে নেওয়ার ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। তবে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় পরিবার ও সহপাঠীদের অভিযোগ, তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে খুলনা উত্তাল হয়ে উঠেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সোনাডাঙ্গা প্রধান সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করলে পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রেপ্তার এবং এক মাসের মধ্যে চার্জশিট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির পরই যৌথ অভিযান পরিচালনা শুরু করে আইনশৃংখলা বাহিনী ।
এই ঘটনায় হরিণটানা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পুলিশ ও এসআরবি যৌথভাবে অভিযানে নামে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ২৪ ঘণ্টায় যৌথ অভিযানে এই মামলার ৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানার কুড়িয়ানা আদাবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো. হাসনাত হাবিব রিফাতকে (৩০) গ্রেপ্তার করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৬ ও এসআরবি-৮ এর যৌথ আভিযানিক দল। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার গুনেরগাতি এলাকায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে এসআরবি। পরে তাকে খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) হরিণটানা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আজ মঙ্গলবার (২২/০৯/২০২৬) বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে বরিশাল জেলার উজিরপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতাপ সরকার (২৮) কে গ্রেপ্তার করে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃত প্রতাপের পিতা শিবপদ সরকার, মাতা অনিতা সরকার। তার স্থায়ী ঠিকানা গ্রাম. ধূলগ্রাম সিদ্ধিপাসা, থানা. অভয়নগর, জেলা. যশোর। পালিয়ে বরিশালে আত্মগোপনে থাকলেও শেষ রক্ষা হয়নি তার।
একই মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি তারেক ওরফে রুবেল (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬ এর স্পেশাল কোম্পানি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন