নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চত্বর থেকে সরকারি নিয়মনীতি না মেনে মেহগনিসহ বেশ কয়েকটি মূল্যবান গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এসব গাছ স্থানীয় বিভিন্ন করাতকলে নিয়ে বিক্রি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মী মো. বাপ্পির বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিন ধরে হাসপাতাল চত্বরের বেশ কিছু পুরোনো ও মূল্যবান গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা গাছ কাটার কারণ জানতে চান। তবে সন্তোষজনক কোনো জবাব না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন তারা। পরে কাটা গাছ স্থানীয় করাতকলে নিয়ে যাওয়ার কথাও জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি সম্পদ রক্ষায় দায়িত্বশীলদের নজরদারির ঘাটতির সুযোগে এসব গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের চত্বর থেকে গাছ কাটার ক্ষেত্রে যথাযথ অনুমোদন ও নিলাম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কানিজ ফাতেমা বলেন, গাছগুলো নিয়মমাফিক ডাক বা নিলামের মাধ্যমে কাটার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন ছিল। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বন বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এ বক্তব্যের সঙ্গে বন বিভাগের তথ্যের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। বদলগাছী উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, গত তিন মাসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে গাছ কাটা বা বিক্রির বিষয়ে কোনো চিঠি বা আবেদন তারা পাননি। নিয়ম অনুযায়ী বন বিভাগের অনুমোদন ও মূল্যায়ন ছাড়া সরকারি গাছ কাটার সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চিঠি দেওয়ার দাবি এবং বন বিভাগের চিঠি না পাওয়ার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরকারি সম্পদ রক্ষায় ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
তারা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চত্বর থেকে সরকারি নিয়মনীতি না মেনে মেহগনিসহ বেশ কয়েকটি মূল্যবান গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এসব গাছ স্থানীয় বিভিন্ন করাতকলে নিয়ে বিক্রি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মী মো. বাপ্পির বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিন ধরে হাসপাতাল চত্বরের বেশ কিছু পুরোনো ও মূল্যবান গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা গাছ কাটার কারণ জানতে চান। তবে সন্তোষজনক কোনো জবাব না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন তারা। পরে কাটা গাছ স্থানীয় করাতকলে নিয়ে যাওয়ার কথাও জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি সম্পদ রক্ষায় দায়িত্বশীলদের নজরদারির ঘাটতির সুযোগে এসব গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের চত্বর থেকে গাছ কাটার ক্ষেত্রে যথাযথ অনুমোদন ও নিলাম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কানিজ ফাতেমা বলেন, গাছগুলো নিয়মমাফিক ডাক বা নিলামের মাধ্যমে কাটার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন ছিল। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বন বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এ বক্তব্যের সঙ্গে বন বিভাগের তথ্যের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। বদলগাছী উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, গত তিন মাসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে গাছ কাটা বা বিক্রির বিষয়ে কোনো চিঠি বা আবেদন তারা পাননি। নিয়ম অনুযায়ী বন বিভাগের অনুমোদন ও মূল্যায়ন ছাড়া সরকারি গাছ কাটার সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চিঠি দেওয়ার দাবি এবং বন বিভাগের চিঠি না পাওয়ার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরকারি সম্পদ রক্ষায় ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
তারা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন