কুমিল্লার মুরাদনগরে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বোন ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃত অন্য দুজন হলেন মূল আসামি আবু মিয়ার স্ত্রী হনুফা বেগম এবং তাঁর পালিত কন্যা ইতি।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, নিহত খালেদা আক্তার ও তাঁর ভাই মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়ার পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই শত্রুতার জেরে গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খালেদা আক্তার ও তাঁর ভাতিজা মনজুরুল আলম তুতুর ওপর হামলা চালান আবু মিয়া। একপর্যায়ে তিনি ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাঁদের হত্যা করেন।
এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর নিহতদের স্বজন নাসিম হায়দার সুজন বাদী হয়ে তিনজনকে সুনির্দিষ্ট আসামি করে মুরাদনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পরপরই অভিযানে নামে ডিবি পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর বাদশা মিয়া বাজার এলাকা থেকে প্রথমে আবু মিয়ার স্ত্রী হনুফা বেগম ও পালিত কন্যা ইতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় চলন্ত একটি ট্রেনে অভিযান চালিয়ে মূল আসামি মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ড ব্যবহৃত অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ইতোমধ্যে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার মুরাদনগরে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বোন ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃত অন্য দুজন হলেন মূল আসামি আবু মিয়ার স্ত্রী হনুফা বেগম এবং তাঁর পালিত কন্যা ইতি।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, নিহত খালেদা আক্তার ও তাঁর ভাই মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়ার পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই শত্রুতার জেরে গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খালেদা আক্তার ও তাঁর ভাতিজা মনজুরুল আলম তুতুর ওপর হামলা চালান আবু মিয়া। একপর্যায়ে তিনি ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাঁদের হত্যা করেন।
এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর নিহতদের স্বজন নাসিম হায়দার সুজন বাদী হয়ে তিনজনকে সুনির্দিষ্ট আসামি করে মুরাদনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পরপরই অভিযানে নামে ডিবি পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর বাদশা মিয়া বাজার এলাকা থেকে প্রথমে আবু মিয়ার স্ত্রী হনুফা বেগম ও পালিত কন্যা ইতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় চলন্ত একটি ট্রেনে অভিযান চালিয়ে মূল আসামি মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ড ব্যবহৃত অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ইতোমধ্যে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন