ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

জেল গেইট এলাকায় নির্মাণাধীন মসজিদ ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন"

জেল গেইট এলাকায় নির্মাণাধীন মসজিদ ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন"

জেল গেইট এলাকায় নির্মাণাধীন মসজিদ ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন"

মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর পাঁয়তারার অভ

কক্সবাজার শহরের জেলা কারাগার (জেল গেইট) এলাকায় নির্মাণাধীন একটি মসজিদে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসীর পক্ষে আব্দুল আজিজ অভিযোগ করে বলেন, তিনি জরুরি কাজে কয়েকদিন ধরে বান্দরবানে অবস্থান করছিলেন। এলাকায় জমি কিনে বসবাস করায় স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগে তিনি সহযোগিতা করেছেন। গত কয়েকদিন আগে স্থানীয়দের কাছ থেকে মসজিদের নির্মাণকাজ শুরুর খবর পান।

তিনি বলেন, এলাকায় ফিরে গত দুই দিন আগে কয়েকজন ব্যক্তি এসে মসজিদের নির্মাণকাজে বাধা দেওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাশেদ আল মামুন, তাহমিন, এহছান, জাহাঙ্গীর, হায়দার নিজাম ও সিরাজুল ইসলাম সোহেলসহ ২০-২৫ জনের একটি দল নির্মাণাধীন মসজিদে এসে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আব্দুল আজিজ আরও বলেন, ওই সময় এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া দিলে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী তাদের উপর হামলা চালিয়েছে এমন অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান আব্দুল আজিজ।

সংবাদ সম্মেলনে মসজিদ ও সমাজ কমিটির সভাপতি সাহাব উদ্দিন বলেন, শহরের খুব কাছাকাছি হলেও ওই এলাকায় কোনো মসজিদ, মাদ্রাসা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। এ কারণে এলাকাবাসী সম্মিলিতভাবে সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। মসজিদ নির্মাণের জন্য লায়লা বেগম জমি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সাহাব উদ্দিনের অভিযোগ, মসজিদের নির্মাণকাজ শুরুর দুই দিন পর কয়েকজন ব্যক্তি এসে ওই জমিতে তাদের অংশ রয়েছে দাবি করেন। সেখানে মসজিদ নির্মাণ করতে হলে প্রতি গণ্ডা জমির জন্য তিন লাখ টাকা করে দিতে হবে বলেও তারা দাবি করেন। তখন এলাকাবাসী তাদের জমির মালিকানার কাগজপত্র নিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান এবং প্রকৃতপক্ষে তাদের জমি থাকলে তা কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। পরে তারা সেখান থেকে চলে যান।

তিনি অভিযোগ করেন, পরদিন সন্ধ্যায় রাশেদ আল মামুন, তাহমিন, এহছান, জাহাঙ্গীর, হায়দার নিজাম ও সিরাজুল ইসলাম সোহেলসহ ২০-২৫ জনের একটি দল নির্মাণাধীন মসজিদে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতি করে। পরে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়।

সাহাব উদ্দিন আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার পর মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং তাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর পাঁয়তারা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, নির্মাণাধীন মসজিদে হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা বা অপপ্রচার বন্ধের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকার প্রবীণ মুরব্বি ও বিএনপি নেতা শামশুল আলম, মসজিদের ইমাম, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


জেল গেইট এলাকায় নির্মাণাধীন মসজিদ ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন"

প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জেল গেইট এলাকায় নির্মাণাধীন মসজিদ ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন"

মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর পাঁয়তারার অভ

কক্সবাজার শহরের জেলা কারাগার (জেল গেইট) এলাকায় নির্মাণাধীন একটি মসজিদে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসীর পক্ষে আব্দুল আজিজ অভিযোগ করে বলেন, তিনি জরুরি কাজে কয়েকদিন ধরে বান্দরবানে অবস্থান করছিলেন। এলাকায় জমি কিনে বসবাস করায় স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগে তিনি সহযোগিতা করেছেন। গত কয়েকদিন আগে স্থানীয়দের কাছ থেকে মসজিদের নির্মাণকাজ শুরুর খবর পান।

তিনি বলেন, এলাকায় ফিরে গত দুই দিন আগে কয়েকজন ব্যক্তি এসে মসজিদের নির্মাণকাজে বাধা দেওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাশেদ আল মামুন, তাহমিন, এহছান, জাহাঙ্গীর, হায়দার নিজাম ও সিরাজুল ইসলাম সোহেলসহ ২০-২৫ জনের একটি দল নির্মাণাধীন মসজিদে এসে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আব্দুল আজিজ আরও বলেন, ওই সময় এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া দিলে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী তাদের উপর হামলা চালিয়েছে এমন অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান আব্দুল আজিজ।

সংবাদ সম্মেলনে মসজিদ ও সমাজ কমিটির সভাপতি সাহাব উদ্দিন বলেন, শহরের খুব কাছাকাছি হলেও ওই এলাকায় কোনো মসজিদ, মাদ্রাসা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। এ কারণে এলাকাবাসী সম্মিলিতভাবে সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। মসজিদ নির্মাণের জন্য লায়লা বেগম জমি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সাহাব উদ্দিনের অভিযোগ, মসজিদের নির্মাণকাজ শুরুর দুই দিন পর কয়েকজন ব্যক্তি এসে ওই জমিতে তাদের অংশ রয়েছে দাবি করেন। সেখানে মসজিদ নির্মাণ করতে হলে প্রতি গণ্ডা জমির জন্য তিন লাখ টাকা করে দিতে হবে বলেও তারা দাবি করেন। তখন এলাকাবাসী তাদের জমির মালিকানার কাগজপত্র নিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান এবং প্রকৃতপক্ষে তাদের জমি থাকলে তা কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। পরে তারা সেখান থেকে চলে যান।

তিনি অভিযোগ করেন, পরদিন সন্ধ্যায় রাশেদ আল মামুন, তাহমিন, এহছান, জাহাঙ্গীর, হায়দার নিজাম ও সিরাজুল ইসলাম সোহেলসহ ২০-২৫ জনের একটি দল নির্মাণাধীন মসজিদে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতি করে। পরে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়।

সাহাব উদ্দিন আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার পর মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং তাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর পাঁয়তারা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, নির্মাণাধীন মসজিদে হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা বা অপপ্রচার বন্ধের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকার প্রবীণ মুরব্বি ও বিএনপি নেতা শামশুল আলম, মসজিদের ইমাম, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত