আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব দাবি বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের প্রতি আল্টিমেটাম দিয়েছে সংগঠন দুটি। দাবি বাস্তবায়ন না হলে রংপুর-দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও রুটে যাত্রীবাহী বাস চলাচলে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হলে তার দায় মালিক-শ্রমিক সংগঠন নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সৈয়দপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি ও অভিযোগ তুলে ধরেন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি ও জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল গফুর সরকারের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সরকার।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, রংপুর-দিনাজপুর এবং রংপুর-ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় রুটে যাত্রী সংখ্যার তুলনায় বাসের সংখ্যা অপ্রতুল। বিশেষ করে রংপুর-দিনাজপুর রুটের দুই প্রান্তে রংপুর ও দিনাজপুরের ২৫টি করে মোট ৫০টি বাস চলাচল করলেও নীলফামারী জেলার বাস রয়েছে মাত্র ১২টি। এতে সৈয়দপুরের যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন সংকটে ভুগছেন।
এ বৈষম্য নিরসনে রংপুর ও দিনাজপুর প্রান্ত থেকে নীলফামারী জেলার অন্তত ১০টি করে বাস এবং ঠাকুরগাঁও প্রান্তে আরও দুটি বাসের সিরিয়াল দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সন্ধ্যার পর রংপুর ও দিনাজপুর থেকে সৈয়দপুরগামী যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত বাস চালু এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধের দাবি জানানো হয়।
সংগঠনগুলোর ৯ দফা দাবির মধ্যে আরও রয়েছে সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের জরুরি সংস্কার, বাইপাস সড়কে বাস চলাচলের বাধা দূর করা, সৈয়দপুর-রাজশাহী এবং নীলফামারী-সৈয়দপুর-বগুড়া রুট পুনরায় চালু করা এবং সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ অটোরিকশা ও সিএনজি চলাচল বন্ধ করা।
নেতারা অভিযোগ করেন, নীলফামারী জেলার বাসের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে রংপুর ও দিনাজপুর মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনার জন্য একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তারা কোনো সাড়া দেয়নি। তবে ঠাকুরগাঁও মালিক সমিতি এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বলে তারা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সাবেক সভাপতি মো. শাহনওয়াজ হোসেন শানু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হাফিজ, সহ-সভাপতি মো. মোফাক্খার আলী স্বপন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম মজনু, কোষাধ্যক্ষ মো. এহসান রসুল বিন্ধু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল ও মো. আরমান হামিদসহ মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীও বক্তব্য রাখেন। সভা পরিচালনা করেন মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হাফিজ।
নেতারা বলেন, আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নীলফামারী জেলা মালিক সমিতির পরিবহন বৈষম্য নিরসনসহ ৯ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় পরবর্তী সময়ে রংপুর-দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও রুটে যাত্রীবাহী বাস চলাচলে কোনো ধরনের বিঘ্ন বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে এর দায় মালিক-শ্রমিক সংগঠন নেবে না।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব দাবি বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের প্রতি আল্টিমেটাম দিয়েছে সংগঠন দুটি। দাবি বাস্তবায়ন না হলে রংপুর-দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও রুটে যাত্রীবাহী বাস চলাচলে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হলে তার দায় মালিক-শ্রমিক সংগঠন নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সৈয়দপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি ও অভিযোগ তুলে ধরেন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি ও জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল গফুর সরকারের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সরকার।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, রংপুর-দিনাজপুর এবং রংপুর-ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় রুটে যাত্রী সংখ্যার তুলনায় বাসের সংখ্যা অপ্রতুল। বিশেষ করে রংপুর-দিনাজপুর রুটের দুই প্রান্তে রংপুর ও দিনাজপুরের ২৫টি করে মোট ৫০টি বাস চলাচল করলেও নীলফামারী জেলার বাস রয়েছে মাত্র ১২টি। এতে সৈয়দপুরের যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন সংকটে ভুগছেন।
এ বৈষম্য নিরসনে রংপুর ও দিনাজপুর প্রান্ত থেকে নীলফামারী জেলার অন্তত ১০টি করে বাস এবং ঠাকুরগাঁও প্রান্তে আরও দুটি বাসের সিরিয়াল দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সন্ধ্যার পর রংপুর ও দিনাজপুর থেকে সৈয়দপুরগামী যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত বাস চালু এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধের দাবি জানানো হয়।
সংগঠনগুলোর ৯ দফা দাবির মধ্যে আরও রয়েছে সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের জরুরি সংস্কার, বাইপাস সড়কে বাস চলাচলের বাধা দূর করা, সৈয়দপুর-রাজশাহী এবং নীলফামারী-সৈয়দপুর-বগুড়া রুট পুনরায় চালু করা এবং সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ অটোরিকশা ও সিএনজি চলাচল বন্ধ করা।
নেতারা অভিযোগ করেন, নীলফামারী জেলার বাসের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে রংপুর ও দিনাজপুর মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনার জন্য একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তারা কোনো সাড়া দেয়নি। তবে ঠাকুরগাঁও মালিক সমিতি এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বলে তারা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সাবেক সভাপতি মো. শাহনওয়াজ হোসেন শানু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হাফিজ, সহ-সভাপতি মো. মোফাক্খার আলী স্বপন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম মজনু, কোষাধ্যক্ষ মো. এহসান রসুল বিন্ধু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল ও মো. আরমান হামিদসহ মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীও বক্তব্য রাখেন। সভা পরিচালনা করেন মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হাফিজ।
নেতারা বলেন, আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নীলফামারী জেলা মালিক সমিতির পরিবহন বৈষম্য নিরসনসহ ৯ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় পরবর্তী সময়ে রংপুর-দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও রুটে যাত্রীবাহী বাস চলাচলে কোনো ধরনের বিঘ্ন বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে এর দায় মালিক-শ্রমিক সংগঠন নেবে না।

আপনার মতামত লিখুন