মাদকের কড়াল থাবা থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা ও জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে কুমিল্লাজুড়ে এক বিশাল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জেলার বিভিন্ন থানা ও কৌশলগত এলাকায় একযোগে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, সরবরাহকারী ও সেবনকারীসহ মোট ৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করতে সক্ষম হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দিনভর জেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে মোট ৪৯টি সফল অভিযান চালানো হয়। এসব স্পট থেকে আনুমানিক ১২৪ কেজি গাঁজা এবং ৩১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং বিজ্ঞ বিচারিক আদালতের সংক্ষিপ্ত বিচারিক প্রক্রিয়ার (Summary Trial) মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার কঠোর বার্তা দিয়ে জানান, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে যুবসমাজকে মুক্ত রাখা জেলা পুলিশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত কারবারি ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখা হবে। জেলাজুড়ে মাদকের বিস্তার রোধে আগামী দিনগুলোতে এ ধরনের কঠোর ও সমন্বিত অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদকের কড়াল থাবা থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা ও জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে কুমিল্লাজুড়ে এক বিশাল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জেলার বিভিন্ন থানা ও কৌশলগত এলাকায় একযোগে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, সরবরাহকারী ও সেবনকারীসহ মোট ৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করতে সক্ষম হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দিনভর জেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে মোট ৪৯টি সফল অভিযান চালানো হয়। এসব স্পট থেকে আনুমানিক ১২৪ কেজি গাঁজা এবং ৩১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং বিজ্ঞ বিচারিক আদালতের সংক্ষিপ্ত বিচারিক প্রক্রিয়ার (Summary Trial) মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার কঠোর বার্তা দিয়ে জানান, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে যুবসমাজকে মুক্ত রাখা জেলা পুলিশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত কারবারি ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখা হবে। জেলাজুড়ে মাদকের বিস্তার রোধে আগামী দিনগুলোতে এ ধরনের কঠোর ও সমন্বিত অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন