ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

ভূঞাপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন, প্রেমিক পলাতক

ভূঞাপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন, প্রেমিক পলাতক

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে অনশনে বসেছেন এক বৃষ্টি নামক তরুণী। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অনশনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই প্রেমিক সানী পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের রাউৎবাড়ি এলাকায় প্রবাসী আব্দুল হাই আকন্দের মেয়ে আফরোজা আক্তার বৃষ্টি। প্রেমিক একই গ্রামের সাবেক  আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  আব্দুল জলিল আকন্দের ছেলে সোলাইমান হাসান সানী (৩১)।

অভিযুক্ত সনি শনিবার বিকেল থেকে পালিয়ে আছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বৃষ্টি দীর্ঘদিন ধরে সনির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। বৃষ্টির দাবি, সনি তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আট বছর ধরে স্ত্রীর মতো ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এই সম্পর্কের সব ডকুমেন্ট রয়েছে। কয়েকদিন আগে সনির প্রথম স্ত্রী আমাকে বাড়িতে আসতে ডেকেছিলেন।’

বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের সম্মতিতে রাত ৮টায় মীমাংসার সময় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই সনি পালিয়ে যান। বর্তমানে সনির বাড়িতেই অনশন করে যাচ্ছেন বৃষ্টি। অভিযুক্ত সনির বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, সনির প্রথম স্ত্রী সুমি জানান, ‘এই সম্পর্কের বিষয়ে আমরা কিছু জানতাম না।’ স্থানীয়রা জানান, সনির প্রথম স্ত্রী ও তাঁর তিন সন্তান রয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী বৃষ্টি ও স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি এ. কে. এম. রেজাউল করিম জানান, “ এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রেমিকের বাড়িতে স্থানীয় লোকজন ভিড় করেন। বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয়ভাবে আলোচনা ও সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও প্রেমিক বাড়িতে না থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ে।

অনশনরত তরুণী বলেন, “আমাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। সে আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এখন আমাকে বিয়ে না করে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আমি বিয়ের দাবিতে এখানে অবস্থান নিয়েছি।”

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


ভূঞাপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন, প্রেমিক পলাতক

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে অনশনে বসেছেন এক বৃষ্টি নামক তরুণী। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অনশনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই প্রেমিক সানী পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।


ঘটনাটি টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের রাউৎবাড়ি এলাকায় প্রবাসী আব্দুল হাই আকন্দের মেয়ে আফরোজা আক্তার বৃষ্টি। প্রেমিক একই গ্রামের সাবেক  আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  আব্দুল জলিল আকন্দের ছেলে সোলাইমান হাসান সানী (৩১)।


অভিযুক্ত সনি শনিবার বিকেল থেকে পালিয়ে আছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বৃষ্টি দীর্ঘদিন ধরে সনির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। বৃষ্টির দাবি, সনি তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আট বছর ধরে স্ত্রীর মতো ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এই সম্পর্কের সব ডকুমেন্ট রয়েছে। কয়েকদিন আগে সনির প্রথম স্ত্রী আমাকে বাড়িতে আসতে ডেকেছিলেন।’


বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের সম্মতিতে রাত ৮টায় মীমাংসার সময় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই সনি পালিয়ে যান। বর্তমানে সনির বাড়িতেই অনশন করে যাচ্ছেন বৃষ্টি। অভিযুক্ত সনির বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, সনির প্রথম স্ত্রী সুমি জানান, ‘এই সম্পর্কের বিষয়ে আমরা কিছু জানতাম না।’ স্থানীয়রা জানান, সনির প্রথম স্ত্রী ও তাঁর তিন সন্তান রয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী বৃষ্টি ও স্থানীয়রা।


এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি এ. কে. এম. রেজাউল করিম জানান, “ এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রেমিকের বাড়িতে স্থানীয় লোকজন ভিড় করেন। বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয়ভাবে আলোচনা ও সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও প্রেমিক বাড়িতে না থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ে।

অনশনরত তরুণী বলেন, “আমাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। সে আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এখন আমাকে বিয়ে না করে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আমি বিয়ের দাবিতে এখানে অবস্থান নিয়েছি।”


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত