ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩২টি বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ উদ্ধার

প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩২টি বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ উদ্ধার

ভোলার চরফ্যাশনে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করে রাখা বিলুপ্তপ্রায় ‘সন্ধি’ ও ‘করি কাইট্টা’ প্রজাতির ৩২টি কচ্ছপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলা সদরের মাছবাজার থেকে কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মাছবাজারের একটি দোকানে বিপুলসংখ্যক কচ্ছপ পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করে রাখা হয়েছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দোকানে থাকা একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে ৩২টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়। কচ্ছপগুলো সবই জীবিত ছিল।

ভোলা বন কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা নার্সারি কেন্দ্রের ফরেস্টার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাছিম আল খুসবুরের নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার হওয়া ৩২টি কচ্ছপ রোববার সকালে বন বিভাগের পুকুরে রাখা হয়। পরে সেগুলো অবমুক্ত করা হয়েছে।

বন কর্মকর্তা আবদুস সালাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চরফ্যাশন উপজেলার চারটি স্থান থেকে বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ পাচারের তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল। ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী কচ্ছপ শিকার ও পাচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এরপরও দেশি-বিদেশি চোরাকারবারিরা ধুম, সন্ধি, করি কাইট্টা ও হলুদ কাইট্টাসহ বিভিন্ন বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির কচ্ছপ অবৈধভাবে শিকার ও পাচার করে আসছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে কচ্ছপের মাংস ও খোলসের চড়া দাম থাকায় পাচারকারীরা এসব বন্যপ্রাণীকে টার্গেট করছে। শনিবার রাতে উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলো সন্ধি ও করি কাইট্টা প্রজাতির, যেগুলো বাংলাদেশে প্রায় বিলুপ্তপ্রায়।

তবে কচ্ছপগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়ায় এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে মামলা করা হয়নি বলে জানান বন কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩২টি বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভোলার চরফ্যাশনে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করে রাখা বিলুপ্তপ্রায় ‘সন্ধি’ ও ‘করি কাইট্টা’ প্রজাতির ৩২টি কচ্ছপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলা সদরের মাছবাজার থেকে কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মাছবাজারের একটি দোকানে বিপুলসংখ্যক কচ্ছপ পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করে রাখা হয়েছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দোকানে থাকা একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে ৩২টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়। কচ্ছপগুলো সবই জীবিত ছিল।

ভোলা বন কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা নার্সারি কেন্দ্রের ফরেস্টার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাছিম আল খুসবুরের নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার হওয়া ৩২টি কচ্ছপ রোববার সকালে বন বিভাগের পুকুরে রাখা হয়। পরে সেগুলো অবমুক্ত করা হয়েছে।

বন কর্মকর্তা আবদুস সালাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চরফ্যাশন উপজেলার চারটি স্থান থেকে বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ পাচারের তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল। ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী কচ্ছপ শিকার ও পাচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এরপরও দেশি-বিদেশি চোরাকারবারিরা ধুম, সন্ধি, করি কাইট্টা ও হলুদ কাইট্টাসহ বিভিন্ন বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির কচ্ছপ অবৈধভাবে শিকার ও পাচার করে আসছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে কচ্ছপের মাংস ও খোলসের চড়া দাম থাকায় পাচারকারীরা এসব বন্যপ্রাণীকে টার্গেট করছে। শনিবার রাতে উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলো সন্ধি ও করি কাইট্টা প্রজাতির, যেগুলো বাংলাদেশে প্রায় বিলুপ্তপ্রায়।

তবে কচ্ছপগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়ায় এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে মামলা করা হয়নি বলে জানান বন কর্মকর্তা।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত