নদীমাতৃক বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মিলনমেলা বসেছিল ইছামতী নদীর কোল ঘেঁষে। বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো আজ ২১ আগষ্ট, শুক্রবার, দুপুরের পর বহুল প্রতীক্ষিত ‘কলাকোপা নৌকা বাইচ ২০২৬’। হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতা শেষে দ্রুতগতি ও নান্দনিক বুননে প্রতিপক্ষকে পেছনে ফেলে এ বছরও নৌ-উৎসবের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে নেয় ঐতিহ্যবাহী নৌকা ‘লিটন ২’।
দুপুর গড়াতেই নবাবগঞ্জের কলাকোপা অংশের ইছামতী নদীর দুই তীরে ঢল নামে আবালবৃদ্ধবনিতার। নদীর পাড়, বাড়ির ছাদ ও বাঁশের সাঁকোয় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। কাসার ঘণ্টা, ঢোলের করতাল আর গায়েনদের সারিগানের সুরে পুরো নদীর বুকজুড়ে নেমেছিল এক অন্যরকম উৎসবের আবহ।
দুরন্ত গতি আর মাল্লাদের অসাধারণ সমন্বয়ে প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে রানার্সআপ দলগুলোকে টেক্কা দিয়ে বিজয়ের মুকুট ছিনিয়ে নেয় ‘লিটন ২’।
প্রতিটি নৌকায় ৪০ থেকে ৬০ জন করে মাল্লা এক তালে, এক সুরে বৈঠা চালিয়ে "হেঁইও রে হেঁটে" রবে ইছামতীর বুকে উত্তাল তরঙ্গ সৃষ্টি করেন।
আধুনিক বিনোদনের যুগে এমন আয়োজন নতুন প্রজন্মকে শিকড়ের সন্ধান দেয় বলে জানান আগত দর্শনার্থীরা। স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠদের মতে, এই নৌকা বাইচ কেবল বিজয়ের কোনো প্রতিযোগিতা নয়, এটি নবাবগঞ্জ ও আশপাশের জনপদের সামাজিক ঐক্য ও সম্প্রীতির এক অমলিন প্রতীক। এ নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় ঢাকা ১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতা শেষে, বিজয়ী ‘লিটন ২’ দলের অধিনায়ক ও মাল্লাদের হাতে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি ও আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার গ্রহণের পর বিজয়ী দলের সমর্থকদের উল্লাসে নদীর দুই পাড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের জোয়ার বয়।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
নদীমাতৃক বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মিলনমেলা বসেছিল ইছামতী নদীর কোল ঘেঁষে। বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো আজ ২১ আগষ্ট, শুক্রবার, দুপুরের পর বহুল প্রতীক্ষিত ‘কলাকোপা নৌকা বাইচ ২০২৬’। হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতা শেষে দ্রুতগতি ও নান্দনিক বুননে প্রতিপক্ষকে পেছনে ফেলে এ বছরও নৌ-উৎসবের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে নেয় ঐতিহ্যবাহী নৌকা ‘লিটন ২’।
দুপুর গড়াতেই নবাবগঞ্জের কলাকোপা অংশের ইছামতী নদীর দুই তীরে ঢল নামে আবালবৃদ্ধবনিতার। নদীর পাড়, বাড়ির ছাদ ও বাঁশের সাঁকোয় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। কাসার ঘণ্টা, ঢোলের করতাল আর গায়েনদের সারিগানের সুরে পুরো নদীর বুকজুড়ে নেমেছিল এক অন্যরকম উৎসবের আবহ।
দুরন্ত গতি আর মাল্লাদের অসাধারণ সমন্বয়ে প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে রানার্সআপ দলগুলোকে টেক্কা দিয়ে বিজয়ের মুকুট ছিনিয়ে নেয় ‘লিটন ২’।
প্রতিটি নৌকায় ৪০ থেকে ৬০ জন করে মাল্লা এক তালে, এক সুরে বৈঠা চালিয়ে "হেঁইও রে হেঁটে" রবে ইছামতীর বুকে উত্তাল তরঙ্গ সৃষ্টি করেন।
আধুনিক বিনোদনের যুগে এমন আয়োজন নতুন প্রজন্মকে শিকড়ের সন্ধান দেয় বলে জানান আগত দর্শনার্থীরা। স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠদের মতে, এই নৌকা বাইচ কেবল বিজয়ের কোনো প্রতিযোগিতা নয়, এটি নবাবগঞ্জ ও আশপাশের জনপদের সামাজিক ঐক্য ও সম্প্রীতির এক অমলিন প্রতীক। এ নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় ঢাকা ১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতা শেষে, বিজয়ী ‘লিটন ২’ দলের অধিনায়ক ও মাল্লাদের হাতে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি ও আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার গ্রহণের পর বিজয়ী দলের সমর্থকদের উল্লাসে নদীর দুই পাড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের জোয়ার বয়।

আপনার মতামত লিখুন