সোনারগাঁয়ের ব্যস্ত পাকা সড়কজুড়ে হুট করেই বদলে গেল পরিস্থিতি। হঠাৎ চিৎকার, কাচ ভাঙার শব্দ আর চাপাতির ঝিলিক—মুহূর্তেই ছড়ালো আতঙ্ক। সোনারগাঁয়ের জৈনপুর এলাকায় ‘মেঘনা ইকোনমিক জোন’-এর নির্মাণসামগ্রী নিয়ে যাওয়ার পথে ফ্রেশ সিমেন্টবাহী একটি পিকআপে দিনে-দুপুরে এই তাণ্ডব চালায় একদল দুর্বৃত্ত। তাদের দাবি ছিল ১০ লাখ টাকা চাঁদা। তা না পেয়ে দিনদুপুরে চালককে মারধর, পিকআপ ভাঙচুর এবং সিমেন্ট ও নগদ টাকা লুট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জৈনপুর এলাকায় লিয়াকত আলীর বাড়ির সামনের সড়কে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় ‘মেঘনা পাল্প অ্যান্ড পেপার লিমিটেড’-এর এজিএম (প্রশাসন) মো. আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, ৩০০ বস্তা সিমেন্ট বোঝাই ঢাকা মেট্রো-উ-১২-৩১১৫ নম্বরের পিকআপটি মেঘনা ইকোনমিক জোনের একটি নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠানের দিকে যাচ্ছিল। জৈনপুর এলাকায় পৌঁছালে শুভ, সুমন, রাব্বী ও তানভীরসহ ৮-৯ জনের একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত গাড়িটির পথ রোধ করে। গাড়ি থামতেই চালক মো. রাফিউল হক রাব্বীর কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়।
চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় শুরু হয় তাণ্ডব। চালককে মারধর করার পাশাপাশি লাঠিসোটা ও রড দিয়ে পিটিয়ে পিকআপটির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। এতে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। এরপর গাড়িতে থাকা ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ১০০ বস্তা সিমেন্ট জোরপূর্বক লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
চালকের আর্তচিৎকার শুনে কাছেই থাকা ঠিকাদারি প্রতিনিধি আবু সাইদ ও মো. সোপান তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা তাঁদের ওপরও চড়াও হয়। অভিযোগে বলা হয়, শুভর চাপাতির কোপে আবু সাইদের মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম হন তিনি। সাইদ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে শ্রমিকদের দেওয়ার জন্য সঙ্গে রাখা নগদ ১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা। অন্যদিকে, রাব্বীর লোহার রডের অতর্কিত আঘাতে সোপানের ডান হাতের দুটি আঙুল ভেঙে যায়।
পরবর্তীতে আশপাশের মানুষ দ্রুত এগিয়ে এলে "চাঁদা না দিলে প্রাণ নিয়ে ফিরবি না" বলে হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। জখম দুজনকে উদ্ধার করে দ্রুত সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ওসি (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
সোনারগাঁয়ের ব্যস্ত পাকা সড়কজুড়ে হুট করেই বদলে গেল পরিস্থিতি। হঠাৎ চিৎকার, কাচ ভাঙার শব্দ আর চাপাতির ঝিলিক—মুহূর্তেই ছড়ালো আতঙ্ক। সোনারগাঁয়ের জৈনপুর এলাকায় ‘মেঘনা ইকোনমিক জোন’-এর নির্মাণসামগ্রী নিয়ে যাওয়ার পথে ফ্রেশ সিমেন্টবাহী একটি পিকআপে দিনে-দুপুরে এই তাণ্ডব চালায় একদল দুর্বৃত্ত। তাদের দাবি ছিল ১০ লাখ টাকা চাঁদা। তা না পেয়ে দিনদুপুরে চালককে মারধর, পিকআপ ভাঙচুর এবং সিমেন্ট ও নগদ টাকা লুট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জৈনপুর এলাকায় লিয়াকত আলীর বাড়ির সামনের সড়কে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় ‘মেঘনা পাল্প অ্যান্ড পেপার লিমিটেড’-এর এজিএম (প্রশাসন) মো. আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, ৩০০ বস্তা সিমেন্ট বোঝাই ঢাকা মেট্রো-উ-১২-৩১১৫ নম্বরের পিকআপটি মেঘনা ইকোনমিক জোনের একটি নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠানের দিকে যাচ্ছিল। জৈনপুর এলাকায় পৌঁছালে শুভ, সুমন, রাব্বী ও তানভীরসহ ৮-৯ জনের একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত গাড়িটির পথ রোধ করে। গাড়ি থামতেই চালক মো. রাফিউল হক রাব্বীর কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়।
চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় শুরু হয় তাণ্ডব। চালককে মারধর করার পাশাপাশি লাঠিসোটা ও রড দিয়ে পিটিয়ে পিকআপটির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। এতে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। এরপর গাড়িতে থাকা ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ১০০ বস্তা সিমেন্ট জোরপূর্বক লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
চালকের আর্তচিৎকার শুনে কাছেই থাকা ঠিকাদারি প্রতিনিধি আবু সাইদ ও মো. সোপান তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা তাঁদের ওপরও চড়াও হয়। অভিযোগে বলা হয়, শুভর চাপাতির কোপে আবু সাইদের মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম হন তিনি। সাইদ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে শ্রমিকদের দেওয়ার জন্য সঙ্গে রাখা নগদ ১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা। অন্যদিকে, রাব্বীর লোহার রডের অতর্কিত আঘাতে সোপানের ডান হাতের দুটি আঙুল ভেঙে যায়।
পরবর্তীতে আশপাশের মানুষ দ্রুত এগিয়ে এলে "চাঁদা না দিলে প্রাণ নিয়ে ফিরবি না" বলে হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। জখম দুজনকে উদ্ধার করে দ্রুত সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ওসি (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন