নওগাঁর ধামইরহাটে ক্লুলেস ও নৃশংস মেরিনা বেগম (৪৫) হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে ঘটনায় জড়িত মূল দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত ও নিহতের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। মামলা দায়েরের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ এই সফলতা অর্জন করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ধামইরহাট উপজেলার মড়লই গ্রামের মৃত সামসুদ্দীনের ছেলে ও সাবেক মেম্বার মোঃ বাবুল হোসেন এবং একই গ্রামের মোঃ মোজাম্মেল হকের ছেলে মোঃ তারেক রহমান।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত মেরিনা বেগমের স্বামী হাছেন আলী ও ছেলে কাউসার আলী কাজের সূত্রে কুমিল্লায় থাকেন। গত ১৪ আগস্ট সকালে মেরিনা বেগম বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। খবর পেয়ে ছেলে কাউসার আলী বাড়ি এসে গত ১৮ আগস্ট সন্ধ্যায় ধামইরহাট থানায় জিডি করতে যান। ঠিক একই সময়ে পুলিশ খবর পায় ২ নম্বর আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নের একটি আমবাগানের গভীরে এক নারীর পোড়া লাশ পড়ে রয়েছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ছেলে কাউসার আলী লাশটি তার মায়ের বলে শনাক্ত করেন।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ঘাটন করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে। নওগাঁ জেলায় যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাটে ক্লুলেস ও নৃশংস মেরিনা বেগম (৪৫) হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে ঘটনায় জড়িত মূল দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত ও নিহতের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। মামলা দায়েরের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ এই সফলতা অর্জন করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ধামইরহাট উপজেলার মড়লই গ্রামের মৃত সামসুদ্দীনের ছেলে ও সাবেক মেম্বার মোঃ বাবুল হোসেন এবং একই গ্রামের মোঃ মোজাম্মেল হকের ছেলে মোঃ তারেক রহমান।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত মেরিনা বেগমের স্বামী হাছেন আলী ও ছেলে কাউসার আলী কাজের সূত্রে কুমিল্লায় থাকেন। গত ১৪ আগস্ট সকালে মেরিনা বেগম বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। খবর পেয়ে ছেলে কাউসার আলী বাড়ি এসে গত ১৮ আগস্ট সন্ধ্যায় ধামইরহাট থানায় জিডি করতে যান। ঠিক একই সময়ে পুলিশ খবর পায় ২ নম্বর আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নের একটি আমবাগানের গভীরে এক নারীর পোড়া লাশ পড়ে রয়েছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ছেলে কাউসার আলী লাশটি তার মায়ের বলে শনাক্ত করেন।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ঘাটন করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে। নওগাঁ জেলায় যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন