ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

সিংগাইরে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ডে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

সিংগাইরে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ডে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারের (সিএইচসিপি) বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন—বায়রা ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য সেলিনা আক্তার এবং গারাদিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি খায়রুল ইসলাম মিলন।

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বায়রা ইউনিয়নের আদর্শগ্রামের দরিদ্র নারীরা মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করেন। সাহিদা নামের এক নারী অভিযোগ করেন, কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে ইউপি সদস্য সেলিনা আক্তারকে তিনি ৫ হাজার ৫০০ টাকা দিয়েছেন। পরে তিনি ভাতা হিসেবে একবার ২ হাজার ৪০০ টাকা, পরবর্তী দুই দফায় ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং আরেক দফায় ১ হাজার ২০০ টাকা পেয়েছেন।

একই গ্রামের শহিদুল মিয়া অভিযোগ করেন, তাঁর স্ত্রীর মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার জন্য তিনি ইউপি সদস্য সেলিনাকে ১২ হাজার টাকা দিয়েছেন।

খাদিজা নামের আরেক নারী অভিযোগ করেন, কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে সিএইচসিপি খায়রুল ইসলাম মিলন তাঁর কাছ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন। তবে এখনো তিনি কোনো ভাতা পাননি।

স্থানীয় আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও একইভাবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে ভাতার তালিকা, আবেদনসংক্রান্ত নথি এবং কথিত লেনদেন যাচাই করা হলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।

তবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য সেলিনা আক্তার। তিনি বলেন, “সামনে নির্বাচন। আমার জনপ্রিয়তা নষ্ট করতে প্রতিপক্ষ এসব অভিযোগ করছে।”

অভিযোগ অস্বীকার করে সিএইচসিপি খায়রুল ইসলাম মিলন বলেন, “আমি একজন ইউপি সদস্যকে ভাতার জন্য টাকা দিয়েছিলাম। ভাতা না হলে ওই টাকা ফেরত দিয়ে দেব।”

সিংগাইর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


সিংগাইরে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ডে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারের (সিএইচসিপি) বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন—বায়রা ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য সেলিনা আক্তার এবং গারাদিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি খায়রুল ইসলাম মিলন।

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বায়রা ইউনিয়নের আদর্শগ্রামের দরিদ্র নারীরা মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করেন। সাহিদা নামের এক নারী অভিযোগ করেন, কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে ইউপি সদস্য সেলিনা আক্তারকে তিনি ৫ হাজার ৫০০ টাকা দিয়েছেন। পরে তিনি ভাতা হিসেবে একবার ২ হাজার ৪০০ টাকা, পরবর্তী দুই দফায় ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং আরেক দফায় ১ হাজার ২০০ টাকা পেয়েছেন।

একই গ্রামের শহিদুল মিয়া অভিযোগ করেন, তাঁর স্ত্রীর মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার জন্য তিনি ইউপি সদস্য সেলিনাকে ১২ হাজার টাকা দিয়েছেন।

খাদিজা নামের আরেক নারী অভিযোগ করেন, কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে সিএইচসিপি খায়রুল ইসলাম মিলন তাঁর কাছ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন। তবে এখনো তিনি কোনো ভাতা পাননি।

স্থানীয় আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও একইভাবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে ভাতার তালিকা, আবেদনসংক্রান্ত নথি এবং কথিত লেনদেন যাচাই করা হলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।

তবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য সেলিনা আক্তার। তিনি বলেন, “সামনে নির্বাচন। আমার জনপ্রিয়তা নষ্ট করতে প্রতিপক্ষ এসব অভিযোগ করছে।”

অভিযোগ অস্বীকার করে সিএইচসিপি খায়রুল ইসলাম মিলন বলেন, “আমি একজন ইউপি সদস্যকে ভাতার জন্য টাকা দিয়েছিলাম। ভাতা না হলে ওই টাকা ফেরত দিয়ে দেব।”

সিংগাইর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত