কুমিল্লার দেবিদ্বারে চলাচলের পথ প্রশস্ত করার অজুহাতে এক প্রতিবেশীর প্রায় ১৩টি ফলজ ও কাঠের গাছ কেটে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের ময়নাল দারোগার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ভুক্তভোগী মো. শাহজাহান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নিজ বাড়িতে চলাচলের ব্যক্তিগত রাস্তা চওড়া করতে প্রতিবেশী মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাক জোরপূর্বক এবং জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া মো. শাহজাহানের ৬টি ফলন্ত নারকেল গাছ, ১টি সুপারি গাছসহ অন্যান্য বেশ কয়েকটি গাছ কেটে ফেলেন।
ভুক্তভোগী মো. শাহজাহান মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমি ঢাকায় থাকার সুযোগে আমার অনুপস্থিতিতে প্রতিপক্ষরা অন্যায়ভাবে আমার বাবার স্মৃতিবিজড়িত ফলজ ও কাঠের গাছগুলো কেটে ফেলেছে। দু’টি পরিবারের চলাচলের পথ প্রশস্ত করার নামে এ ধরনের জুলুমের প্রতিবাদ জানাতেই আমি আইনি ব্যবস্থা হিসেবে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।"
অভিযুক্ত প্রতিবেশী মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাক জানান, রাস্তাটি ৫০-৬০ বছরের পুরোনো এবং অত্যন্ত সংকেীর্ণ। সড়ক চওড়া করার জন্য শাহজাহানের সাথে একাধিকবার কথা বলা হলেও তিনি রাজী হননি। পরে তার ভাইয়ের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে কয়েকটি গাছ কাটা হয়। অনুমতি ছাড়া গাছ কাটার জন্য ক্ষমা চেয়ে এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও শাহজাহান তা না মেনে থানায় অভিযোগ করেছেন।
এ বিষয়ে বড়শালঘর ইউপি চেয়ারম্যান আঃ আউয়াল বলেন, রাস্তাটি দুই পরিবারের চলাচলের জন্য প্রয়োজন হলেও মালিকের অনুমতি ছাড়া গাছ কেটে ফেলা একদমই অন্যায় হয়েছে। অন্যদিকে, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জারু জানান, বিষয়টি নিয়ে সালিস বৈঠক হয়েছে এবং গাছ কাটার ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, "গাছ কাটার বিষয়টি মূলত পারিবারিক ও নিকটাত্মীয়দের ভেতরের। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। সেখানে সুরাহা না হলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার দেবিদ্বারে চলাচলের পথ প্রশস্ত করার অজুহাতে এক প্রতিবেশীর প্রায় ১৩টি ফলজ ও কাঠের গাছ কেটে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের ময়নাল দারোগার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ভুক্তভোগী মো. শাহজাহান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নিজ বাড়িতে চলাচলের ব্যক্তিগত রাস্তা চওড়া করতে প্রতিবেশী মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাক জোরপূর্বক এবং জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া মো. শাহজাহানের ৬টি ফলন্ত নারকেল গাছ, ১টি সুপারি গাছসহ অন্যান্য বেশ কয়েকটি গাছ কেটে ফেলেন।
ভুক্তভোগী মো. শাহজাহান মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমি ঢাকায় থাকার সুযোগে আমার অনুপস্থিতিতে প্রতিপক্ষরা অন্যায়ভাবে আমার বাবার স্মৃতিবিজড়িত ফলজ ও কাঠের গাছগুলো কেটে ফেলেছে। দু’টি পরিবারের চলাচলের পথ প্রশস্ত করার নামে এ ধরনের জুলুমের প্রতিবাদ জানাতেই আমি আইনি ব্যবস্থা হিসেবে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।"
অভিযুক্ত প্রতিবেশী মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাক জানান, রাস্তাটি ৫০-৬০ বছরের পুরোনো এবং অত্যন্ত সংকেীর্ণ। সড়ক চওড়া করার জন্য শাহজাহানের সাথে একাধিকবার কথা বলা হলেও তিনি রাজী হননি। পরে তার ভাইয়ের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে কয়েকটি গাছ কাটা হয়। অনুমতি ছাড়া গাছ কাটার জন্য ক্ষমা চেয়ে এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও শাহজাহান তা না মেনে থানায় অভিযোগ করেছেন।
এ বিষয়ে বড়শালঘর ইউপি চেয়ারম্যান আঃ আউয়াল বলেন, রাস্তাটি দুই পরিবারের চলাচলের জন্য প্রয়োজন হলেও মালিকের অনুমতি ছাড়া গাছ কেটে ফেলা একদমই অন্যায় হয়েছে। অন্যদিকে, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জারু জানান, বিষয়টি নিয়ে সালিস বৈঠক হয়েছে এবং গাছ কাটার ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, "গাছ কাটার বিষয়টি মূলত পারিবারিক ও নিকটাত্মীয়দের ভেতরের। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। সেখানে সুরাহা না হলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"

আপনার মতামত লিখুন