কুমিল্লার মুরাদনগরে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে থানা পুলিশ। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে মুরাদনগর থানায় স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ ‘অভিযোগ বাক্স’।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর নির্দেশনায় থানা প্রাঙ্গণে স্থাপিত এ অভিযোগ বাক্সে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তথ্যদাতার নাম-পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। মাদক ব্যবসায়ী, মাদক কারবারি ও মাদকসেবী—কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকমুক্ত মুরাদনগর গড়ে তুলতে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য পুলিশকে জানান, তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।”
তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মুরাদনগর থানার এ উদ্যোগকে স্থানীয়রা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। সচেতন মহলের মতে, সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে তথ্য দিতে পারলে মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার মুরাদনগরে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে থানা পুলিশ। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে মুরাদনগর থানায় স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ ‘অভিযোগ বাক্স’।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর নির্দেশনায় থানা প্রাঙ্গণে স্থাপিত এ অভিযোগ বাক্সে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তথ্যদাতার নাম-পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। মাদক ব্যবসায়ী, মাদক কারবারি ও মাদকসেবী—কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকমুক্ত মুরাদনগর গড়ে তুলতে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য পুলিশকে জানান, তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।”
তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মুরাদনগর থানার এ উদ্যোগকে স্থানীয়রা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। সচেতন মহলের মতে, সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে তথ্য দিতে পারলে মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন