চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার রোসাংগিরী ইউনিয়নে সনি (২১) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্বামী সুমন তাঁকে প্রায়ই নির্যাতন করতেন। সর্বশেষ পারিবারিক বিরোধের জেরে নির্যাতনের একপর্যায়ে সনির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি স্বজনদের।
তবে তাঁর মৃত্যু হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার ১৪ আগষ্ট সকালে সনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রোসাংগিরী এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন সনির স্বামী সুমনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত সনি দক্ষিণ রোসাংগিরী এলাকার মৃত জসিম উদ্দীনের মেয়ে। তাঁর দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। স্বামী সুমন উত্তর রোসাংগিরী এলাকার আবুল কালামের ছেলে।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, সুমন মদ্যপ অবস্থায় সনিকে প্রায়ই মারধর ও নির্যাতন করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সনিকে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করেন স্বজনেরা। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হোসেন বলেন, ‘আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি। নিহতের স্বামী সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার রোসাংগিরী ইউনিয়নে সনি (২১) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্বামী সুমন তাঁকে প্রায়ই নির্যাতন করতেন। সর্বশেষ পারিবারিক বিরোধের জেরে নির্যাতনের একপর্যায়ে সনির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি স্বজনদের।
তবে তাঁর মৃত্যু হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার ১৪ আগষ্ট সকালে সনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রোসাংগিরী এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন সনির স্বামী সুমনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত সনি দক্ষিণ রোসাংগিরী এলাকার মৃত জসিম উদ্দীনের মেয়ে। তাঁর দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। স্বামী সুমন উত্তর রোসাংগিরী এলাকার আবুল কালামের ছেলে।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, সুমন মদ্যপ অবস্থায় সনিকে প্রায়ই মারধর ও নির্যাতন করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সনিকে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করেন স্বজনেরা। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হোসেন বলেন, ‘আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি। নিহতের স্বামী সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন