ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

ইসলামপুরে ৩ শিক্ষার্থীর জন্য ৯ শিক্ষক, সবাই ফেল

ইসলামপুরে ৩ শিক্ষার্থীর জন্য ৯ শিক্ষক, সবাই ফেল

জামালপুরের ইসলামপুরে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই কৃতকার্য হতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠান দুটি হলো একটি উচ্চবিদ্যালয় ও একটি দাখিল মাদ্রাসা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠান দুটি হলো—ইসলামপুরের কদমতলী ক্বারীপাড়া উচ্চবিদ্যালয় এবং বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদ্রাসা।

জানা গেছে, কদমতলী ক্বারীপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ে নয়জন শিক্ষক থাকলেও মাত্র তিনজন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়ে তাদের একজনকেও এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে, বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদ্রাসায় আটজন শিক্ষক থাকলেও দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৮ শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

কদমতলী ক্বারীপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহ বলেন, ‘বিদ্যালয়টি গত বছর পাঠদানের অনুমতি পেয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের ২০২৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা। রেজিস্ট্রেশন ও পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিষয় যাচাইয়ের জন্য তিনজন শিক্ষার্থীকে এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।’

বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদ্রাসার সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান বিভাগের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক সংকট রয়েছে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।’

ইসলামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ মামুন অর রশীদ বলেন, ‘কদমতলী ক্বারীপাড়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে তিনজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের কেউই পাস করতে পারেনি। বিদ্যালয়টিতে নয়জন শিক্ষক রয়েছেন।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফা আক্তার বলেন, ‘শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়ে আমরা প্রতিষ্ঠান দুটির কাছে জবাবদিহি চাইব। পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


ইসলামপুরে ৩ শিক্ষার্থীর জন্য ৯ শিক্ষক, সবাই ফেল

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জামালপুরের ইসলামপুরে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই কৃতকার্য হতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠান দুটি হলো একটি উচ্চবিদ্যালয় ও একটি দাখিল মাদ্রাসা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠান দুটি হলো—ইসলামপুরের কদমতলী ক্বারীপাড়া উচ্চবিদ্যালয় এবং বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদ্রাসা।

জানা গেছে, কদমতলী ক্বারীপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ে নয়জন শিক্ষক থাকলেও মাত্র তিনজন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়ে তাদের একজনকেও এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে, বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদ্রাসায় আটজন শিক্ষক থাকলেও দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৮ শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

কদমতলী ক্বারীপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহ বলেন, ‘বিদ্যালয়টি গত বছর পাঠদানের অনুমতি পেয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের ২০২৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা। রেজিস্ট্রেশন ও পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিষয় যাচাইয়ের জন্য তিনজন শিক্ষার্থীকে এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।’

বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদ্রাসার সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান বিভাগের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক সংকট রয়েছে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।’

ইসলামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ মামুন অর রশীদ বলেন, ‘কদমতলী ক্বারীপাড়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে তিনজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের কেউই পাস করতে পারেনি। বিদ্যালয়টিতে নয়জন শিক্ষক রয়েছেন।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফা আক্তার বলেন, ‘শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়ে আমরা প্রতিষ্ঠান দুটির কাছে জবাবদিহি চাইব। পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত