নীলফামারী জেলা নিরাপদ খাদ্য দপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সৈয়দপুর শহরের তাজির হোটেলকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার পরিচালিত এ অভিযানে হোটেলটিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন এবং নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর বিধান পরিপন্থী কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়ায় আইনের ৫৩ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। আদালতের আদেশে বলা হয়, জরিমানার অর্থ অনাদায়ে প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন।
অভিযানে নীলফামারী জেলা নিরাপদ খাদ্য দপ্তরের কর্মকর্তা শিহাব উদ্দিন, সৈয়দপুর উপজেলা স্যানিটারি ইনস্পেক্টর আলতাফ হোসেন এবং সৈয়দপুর থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। খাদ্য প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যবসায়ীকে সতর্ক করা হয়েছে। তিনি জানান, ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আপনি চাইলে এটির বাংলাদেশ পোস্ট-এর জন্য প্রকাশযোগ্য ইংরেজি সংস্করণও করে দিতে পারি।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
নীলফামারী জেলা নিরাপদ খাদ্য দপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সৈয়দপুর শহরের তাজির হোটেলকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার পরিচালিত এ অভিযানে হোটেলটিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন এবং নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর বিধান পরিপন্থী কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়ায় আইনের ৫৩ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। আদালতের আদেশে বলা হয়, জরিমানার অর্থ অনাদায়ে প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন।
অভিযানে নীলফামারী জেলা নিরাপদ খাদ্য দপ্তরের কর্মকর্তা শিহাব উদ্দিন, সৈয়দপুর উপজেলা স্যানিটারি ইনস্পেক্টর আলতাফ হোসেন এবং সৈয়দপুর থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। খাদ্য প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যবসায়ীকে সতর্ক করা হয়েছে। তিনি জানান, ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আপনি চাইলে এটির বাংলাদেশ পোস্ট-এর জন্য প্রকাশযোগ্য ইংরেজি সংস্করণও করে দিতে পারি।

আপনার মতামত লিখুন