নীলফামারীর সৈয়দপুরে হৃদয় ইসলাম (১৯) নামে এক বেকারি কারিগরকে গলা ও দুই হাতের কব্জি কেটে হত্যার চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে শহরের গোলাহাট রেললাইনের পাশ থেকে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আহত হৃদয় ইসলাম সৈয়দপুর শহরের চওড়া বাগিচাপাড়া এলাকার মহুবার রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে গোলাহাট রেললাইনের ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে সকাল ৯টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
স্বজনরা জানান, হৃদয় পেশায় একজন বেকারি কারিগর। কাজের উদ্দেশ্যে কয়েকদিন আগে তিন বন্ধুর সঙ্গে নাটোরে গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে তার ওপর এমন নৃশংস হামলা হয়েছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে হৃদয়ের বিয়ে হয়। মাত্র এক মাস আগে তিনি একটি সন্তানের বাবা হয়েছেন। নবজাতক সন্তান ও স্ত্রীকে রেখে তার ওপর এমন নির্মম হামলার ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে শোক ও উদ্বেগ। স্বজনরা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দায়িত্বশীল সূত্রের ধারণা, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে হামলার ধরন বা জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, “ঘটনার তদন্ত চলছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।”

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে হৃদয় ইসলাম (১৯) নামে এক বেকারি কারিগরকে গলা ও দুই হাতের কব্জি কেটে হত্যার চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে শহরের গোলাহাট রেললাইনের পাশ থেকে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আহত হৃদয় ইসলাম সৈয়দপুর শহরের চওড়া বাগিচাপাড়া এলাকার মহুবার রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে গোলাহাট রেললাইনের ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে সকাল ৯টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
স্বজনরা জানান, হৃদয় পেশায় একজন বেকারি কারিগর। কাজের উদ্দেশ্যে কয়েকদিন আগে তিন বন্ধুর সঙ্গে নাটোরে গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে তার ওপর এমন নৃশংস হামলা হয়েছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে হৃদয়ের বিয়ে হয়। মাত্র এক মাস আগে তিনি একটি সন্তানের বাবা হয়েছেন। নবজাতক সন্তান ও স্ত্রীকে রেখে তার ওপর এমন নির্মম হামলার ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে শোক ও উদ্বেগ। স্বজনরা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দায়িত্বশীল সূত্রের ধারণা, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে হামলার ধরন বা জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, “ঘটনার তদন্ত চলছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।”

আপনার মতামত লিখুন