নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) মো. আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা হয়রানিমূলক সংবাদ প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
সংবাদ সম্মেলনে ওসি এলএসডি মো. আতিকুর রহমান জানান, সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে তিনি তার পছন্দের ব্যক্তিদের কাছ থেকে চাল কিনছেন। এই অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, কাল্পনিক এবং খাদ্য বিভাগের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে অজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ।
প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) মহোদয় স্থানীয় চালকল মালিকদের (মিলার) সাথে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চাল কেনার চুক্তি সম্পাদন করেন। কোন মিলার কতটুকু চাল সরকারি গুদামে সরবরাহ করবেন, তা সম্পূর্ণভাবে জেলা খাদ্য বিভাগ ও চুক্তির ওপর নির্ভর করে। এতে উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি এলএসডি) নিজস্ব কোনো পছন্দ-অপছন্দ, হাত বা একক কর্তৃত্ব খাটানোর বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, "একজন ওসি এলএসডি হিসেবে আমার মূল দায়িত্ব হলো জেলা কার্যালয় থেকে অনুমোদিত ও চুক্তিবদ্ধ মিলারদের কাছ থেকে চুক্তি মোতাবেক সঠিক মানের চাল নিয়মানুযায়ী গ্রহণ করা। আমি সরকারের সেই নির্দেশনা ও দায়িত্বই সততার সাথে পালন করে আসছি।"
সংবাদ সম্মেলনে আতিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, খাদ্য বিভাগের চাল সংগ্রহের এই চেইন অব কমান্ড ও আইনি প্রক্রিয়াকে তোয়াক্কা না করে, কিছু সাংবাদিক সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বার্থে বা ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার বিরুদ্ধে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করেছেন। এতে তার ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তিনি এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও হয়রানিমূলক সংবাদে কান না দেওয়ার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাংবাদিকতার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) মো. আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা হয়রানিমূলক সংবাদ প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
সংবাদ সম্মেলনে ওসি এলএসডি মো. আতিকুর রহমান জানান, সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে তিনি তার পছন্দের ব্যক্তিদের কাছ থেকে চাল কিনছেন। এই অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, কাল্পনিক এবং খাদ্য বিভাগের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে অজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ।
প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) মহোদয় স্থানীয় চালকল মালিকদের (মিলার) সাথে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চাল কেনার চুক্তি সম্পাদন করেন। কোন মিলার কতটুকু চাল সরকারি গুদামে সরবরাহ করবেন, তা সম্পূর্ণভাবে জেলা খাদ্য বিভাগ ও চুক্তির ওপর নির্ভর করে। এতে উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি এলএসডি) নিজস্ব কোনো পছন্দ-অপছন্দ, হাত বা একক কর্তৃত্ব খাটানোর বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, "একজন ওসি এলএসডি হিসেবে আমার মূল দায়িত্ব হলো জেলা কার্যালয় থেকে অনুমোদিত ও চুক্তিবদ্ধ মিলারদের কাছ থেকে চুক্তি মোতাবেক সঠিক মানের চাল নিয়মানুযায়ী গ্রহণ করা। আমি সরকারের সেই নির্দেশনা ও দায়িত্বই সততার সাথে পালন করে আসছি।"
সংবাদ সম্মেলনে আতিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, খাদ্য বিভাগের চাল সংগ্রহের এই চেইন অব কমান্ড ও আইনি প্রক্রিয়াকে তোয়াক্কা না করে, কিছু সাংবাদিক সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বার্থে বা ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার বিরুদ্ধে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করেছেন। এতে তার ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তিনি এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও হয়রানিমূলক সংবাদে কান না দেওয়ার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাংবাদিকতার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন।

আপনার মতামত লিখুন