নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় এক যুবককে হাত-পা ও মুখ বেঁধে, এমনকি কোমরে পাঁচটি ইট ঝুলিয়ে ক্যানেলের পানিতে ফেলে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। তবে আক্রান্ত যুবকের গোঙানির আওয়াজ শুনে স্থানীয় লোকজনের তৎপরতায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন তিনি।
আজ রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে উপজেলার মাতাজি রোডের নুরজাহান নূরানী হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার দক্ষিণ পাশে একটি ক্যানেলে এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার হওয়া যুবকের নাম মোঃ মর্তুজা হোসেন। তিনি বদলগাছী উপজেলার হারিপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে ক্যানেলের দিক থেকে অস্বাভাবিক আওয়াজ ও গোঙানি শুনতে পান পথচারী ও এলাকাবাসী। সন্দেহ হলে তারা টর্চের আলো ফেলে ক্যানেলের পানির ভেতর মর্তুজাকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। নির্মম বিষয় হলো, তাকে ডুবিয়ে মেরে ফেলার নিশ্চিত করার জন্য তার কোমরের সাথে পাঁচটি ইট বাঁধা ছিল।
উপস্থিত জনতা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পানি থেকে ওপরে তোলেন এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সহযোগিতায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বদলগাছী সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।
কারা বা কী উদ্দেশ্যে এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটানোর চেষ্টা করেছিল, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এই বিষয়ে বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। যুবকের চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় এক যুবককে হাত-পা ও মুখ বেঁধে, এমনকি কোমরে পাঁচটি ইট ঝুলিয়ে ক্যানেলের পানিতে ফেলে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। তবে আক্রান্ত যুবকের গোঙানির আওয়াজ শুনে স্থানীয় লোকজনের তৎপরতায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন তিনি।
আজ রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে উপজেলার মাতাজি রোডের নুরজাহান নূরানী হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার দক্ষিণ পাশে একটি ক্যানেলে এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার হওয়া যুবকের নাম মোঃ মর্তুজা হোসেন। তিনি বদলগাছী উপজেলার হারিপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে ক্যানেলের দিক থেকে অস্বাভাবিক আওয়াজ ও গোঙানি শুনতে পান পথচারী ও এলাকাবাসী। সন্দেহ হলে তারা টর্চের আলো ফেলে ক্যানেলের পানির ভেতর মর্তুজাকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। নির্মম বিষয় হলো, তাকে ডুবিয়ে মেরে ফেলার নিশ্চিত করার জন্য তার কোমরের সাথে পাঁচটি ইট বাঁধা ছিল।
উপস্থিত জনতা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পানি থেকে ওপরে তোলেন এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সহযোগিতায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বদলগাছী সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।
কারা বা কী উদ্দেশ্যে এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটানোর চেষ্টা করেছিল, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এই বিষয়ে বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। যুবকের চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন