‘পিরিতে মজিলে মন, কিবা হাড়ি কিবা ডোম’—প্রচলিত এই প্রবাদটিই যেন সত্য হলো নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায়। ৯ম শ্রেণিতে পড়ুয়া প্রতিবেশী ফুফুর প্রেমে পড়ে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছে ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া প্রতিবেশী ভাতিজা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের ভেরেন্ডী গ্রামে। তবে এই অসম প্রেমের পরিণতি শেষ পর্যন্ত বিয়ের পিঁড়ি পর্যন্ত পৌঁছালেও, বিয়ের আসর থেকেই কৌশলে পালিয়ে গেছে বররূপী ভাতিজা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভেরেন্ডী গ্রামের ওই কিশোর (৮ম শ্রেণি) ও কিশোরীর (৯ম শ্রেণি) সম্পর্কটি সম্পর্কে প্রতিবেশী ফুফু-ভাতিজা। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য এবং গুঞ্জন শুরু হয়।
ঘটনার মোড় ঘোরে তখন, যখন গ্রামের প্রভাবশালী আরিফ ও তার দলবল বিষয়টি নিয়ে হস্তক্ষপ করে। অভিযোগ উঠেছে, গত ২৯-০৭-২০২৬ কিশোরটিকে রাস্তা থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় আরিফ ও সৌরভ ও এবং তার লোকজন। এরপর তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করা হয়। একপর্যায়ে চার লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে কিশোর-কিশোরীর জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।
কিন্তু নাটকের তখনও বাকি ছিল। বিয়ের সব আয়োজন যখন প্রায় শেষ এবং কাজি ডেকে বিয়ে পড়ানোর প্রস্তুতি চলছে, ঠিক তখনই সুযোগ বুঝে বিয়ের আসর থেকে কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে যায় বরবেশী ভাতিজা।
এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। জোরপূর্বক তুলে নিয়ে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা এবং বরের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি এখন পুরো উপজেলাজুড়ে টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।
এই বিষয়ে বদলগাছী থানা ইনচার্জ মোঃ রুহুল আমিন জানান; এই বিষয়ে একটি ধর্ষন মামলা দায়ের হয়েছে এবং আসামী গ্রেফতার হয়।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
‘পিরিতে মজিলে মন, কিবা হাড়ি কিবা ডোম’—প্রচলিত এই প্রবাদটিই যেন সত্য হলো নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায়। ৯ম শ্রেণিতে পড়ুয়া প্রতিবেশী ফুফুর প্রেমে পড়ে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছে ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া প্রতিবেশী ভাতিজা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের ভেরেন্ডী গ্রামে। তবে এই অসম প্রেমের পরিণতি শেষ পর্যন্ত বিয়ের পিঁড়ি পর্যন্ত পৌঁছালেও, বিয়ের আসর থেকেই কৌশলে পালিয়ে গেছে বররূপী ভাতিজা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভেরেন্ডী গ্রামের ওই কিশোর (৮ম শ্রেণি) ও কিশোরীর (৯ম শ্রেণি) সম্পর্কটি সম্পর্কে প্রতিবেশী ফুফু-ভাতিজা। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য এবং গুঞ্জন শুরু হয়।
ঘটনার মোড় ঘোরে তখন, যখন গ্রামের প্রভাবশালী আরিফ ও তার দলবল বিষয়টি নিয়ে হস্তক্ষপ করে। অভিযোগ উঠেছে, গত ২৯-০৭-২০২৬ কিশোরটিকে রাস্তা থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় আরিফ ও সৌরভ ও এবং তার লোকজন। এরপর তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করা হয়। একপর্যায়ে চার লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে কিশোর-কিশোরীর জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।
কিন্তু নাটকের তখনও বাকি ছিল। বিয়ের সব আয়োজন যখন প্রায় শেষ এবং কাজি ডেকে বিয়ে পড়ানোর প্রস্তুতি চলছে, ঠিক তখনই সুযোগ বুঝে বিয়ের আসর থেকে কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে যায় বরবেশী ভাতিজা।
এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। জোরপূর্বক তুলে নিয়ে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা এবং বরের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি এখন পুরো উপজেলাজুড়ে টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।
এই বিষয়ে বদলগাছী থানা ইনচার্জ মোঃ রুহুল আমিন জানান; এই বিষয়ে একটি ধর্ষন মামলা দায়ের হয়েছে এবং আসামী গ্রেফতার হয়।

আপনার মতামত লিখুন