ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

চন্দনাইশে বিস্ফোরক মামলায় এলডিপির ৩৫ নেতাকর্মী খালাস

চন্দনাইশে বিস্ফোরক মামলায় এলডিপির ৩৫ নেতাকর্মী খালাস
খালাস প্রাপ্ত এলডিপি নেতাকর্মীরা।

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলায় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর ৩৫ নেতা-কর্মীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, ৭ম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. আল আমিন জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২১ ডিসেম্বর চন্দনাইশ থানাধীন বরমা ইউনিয়নের চরবরমা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ মার্কেটের সামনে একটি ঘটনার অভিযোগে এলডিপির ৩৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে চন্দনাইশ থানায় বিস্ফোরক দ্রব্যাবলি আইনের ৩ ও ৬ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৩ সালের ১৪ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্যাবলি আইনের ৩ ও ৬ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।

প্রায় আট বছর আইনি লড়াই শেষে আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, বাদীপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে মামলার ৩৫ আসামিকেই বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

খালাসপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন— মো. এনামুল হক, আমিনুল ইসলাম মাস্টার, মো. মোছলেম খান, আমিনুল হক রাশেদ, মো. সাইফুল ইসলাম খান, মো. আনিছ মেম্বার, জয়নাল আবেদীন, জিয়াউর রহমান, মো. শাহ আলম মেম্বার ও মো. ফারুক মিয়াসহ এলডিপির ৩৫ নেতা-কর্মী।

এলডিপির পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য, লিবারেল ডেমোক্রেটিক ল’ইয়ার্স ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহাদৎ হোসেন।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


চন্দনাইশে বিস্ফোরক মামলায় এলডিপির ৩৫ নেতাকর্মী খালাস

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলায় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর ৩৫ নেতা-কর্মীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, ৭ম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. আল আমিন জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২১ ডিসেম্বর চন্দনাইশ থানাধীন বরমা ইউনিয়নের চরবরমা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ মার্কেটের সামনে একটি ঘটনার অভিযোগে এলডিপির ৩৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে চন্দনাইশ থানায় বিস্ফোরক দ্রব্যাবলি আইনের ৩ ও ৬ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৩ সালের ১৪ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্যাবলি আইনের ৩ ও ৬ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।

প্রায় আট বছর আইনি লড়াই শেষে আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, বাদীপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে মামলার ৩৫ আসামিকেই বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

খালাসপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন— মো. এনামুল হক, আমিনুল ইসলাম মাস্টার, মো. মোছলেম খান, আমিনুল হক রাশেদ, মো. সাইফুল ইসলাম খান, মো. আনিছ মেম্বার, জয়নাল আবেদীন, জিয়াউর রহমান, মো. শাহ আলম মেম্বার ও মো. ফারুক মিয়াসহ এলডিপির ৩৫ নেতা-কর্মী।

এলডিপির পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য, লিবারেল ডেমোক্রেটিক ল’ইয়ার্স ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহাদৎ হোসেন।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত