সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কামালবাজার বাইপাস এলাকায় কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারে ওজনে কারচুপি ও ভয়ঙ্কর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে সিলিন্ডারে গ্যাসের পাশাপাশি বাতাস ঢুকিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের পকেট কাটা হচ্ছে। একই সাথে অবৈধ 'গ্যাস ক্রসিং মেশিন' ব্যবহার করে এক সিলিন্ডারের গ্যাস অন্য সিলিন্ডারে স্থানান্তর (রিফিল) করার মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা পরিচালনা করছে এই চক্রটি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামালবাজার বাইপাস সংলগ্ন বেশ কয়েকটি গোপন গোডাউনে প্রতিদিন ও রাতে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চলছে। সিন্ডিকেটের সদস্যরা বড় সিলিন্ডার বা এক কোম্পানির সিলিন্ডার থেকে ক্রসিং মেশিনের সাহায্যে অন্য কোম্পানির খালি বোতলে গ্যাস ঢুকিয়ে দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার সময় সিলিন্ডারের ভেতরের খালি জায়গায় উচ্চ চাপে বাতাস ঢুকিয়ে ওজন ঠিক রাখা হয়। ফলে গ্রাহকরা সিলিন্ডার কিনে ওজনে সঠিক পেলেও ব্যবহারের সময় দ্রুত গ্যাস শেষ হয়ে যাচ্ছে। সিলিন্ডারে গ্যাসের বদলে বাতাস থাকায় গ্রাহকরা চরম আর্থিক লোকসানের পাশাপাশি এক প্রকার 'ভুঁকা' বা প্রতারিত হচ্ছেন।
শুধু আর্থিক প্রতারণাই নয়, কোনো প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়া এভাবে অবৈধ ক্রসিং মেশিন দিয়ে গ্যাস অদল-বদল করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় সিলিন্ডার লিক হয়ে বা অতিরিক্ত বাতাসের চাপে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা রয়েছে, যা ওই এলাকার সাধারণ মানুষ ও শ্রমিকদের জীবনকে চরম ঝুঁকিতে ফেলছে। স্থানীয় সচেতন মহল এই অবৈধ গ্যাস সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে এবং গোডাউনগুলোতে প্রশাসনের টাস্কফোর্স বা মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কামালবাজার বাইপাস এলাকায় কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারে ওজনে কারচুপি ও ভয়ঙ্কর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে সিলিন্ডারে গ্যাসের পাশাপাশি বাতাস ঢুকিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের পকেট কাটা হচ্ছে। একই সাথে অবৈধ 'গ্যাস ক্রসিং মেশিন' ব্যবহার করে এক সিলিন্ডারের গ্যাস অন্য সিলিন্ডারে স্থানান্তর (রিফিল) করার মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা পরিচালনা করছে এই চক্রটি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামালবাজার বাইপাস সংলগ্ন বেশ কয়েকটি গোপন গোডাউনে প্রতিদিন ও রাতে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চলছে। সিন্ডিকেটের সদস্যরা বড় সিলিন্ডার বা এক কোম্পানির সিলিন্ডার থেকে ক্রসিং মেশিনের সাহায্যে অন্য কোম্পানির খালি বোতলে গ্যাস ঢুকিয়ে দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার সময় সিলিন্ডারের ভেতরের খালি জায়গায় উচ্চ চাপে বাতাস ঢুকিয়ে ওজন ঠিক রাখা হয়। ফলে গ্রাহকরা সিলিন্ডার কিনে ওজনে সঠিক পেলেও ব্যবহারের সময় দ্রুত গ্যাস শেষ হয়ে যাচ্ছে। সিলিন্ডারে গ্যাসের বদলে বাতাস থাকায় গ্রাহকরা চরম আর্থিক লোকসানের পাশাপাশি এক প্রকার 'ভুঁকা' বা প্রতারিত হচ্ছেন।
শুধু আর্থিক প্রতারণাই নয়, কোনো প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়া এভাবে অবৈধ ক্রসিং মেশিন দিয়ে গ্যাস অদল-বদল করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় সিলিন্ডার লিক হয়ে বা অতিরিক্ত বাতাসের চাপে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা রয়েছে, যা ওই এলাকার সাধারণ মানুষ ও শ্রমিকদের জীবনকে চরম ঝুঁকিতে ফেলছে। স্থানীয় সচেতন মহল এই অবৈধ গ্যাস সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে এবং গোডাউনগুলোতে প্রশাসনের টাস্কফোর্স বা মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন