ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

দক্ষিণ সুরমায় ওয়াগন ট্রেন থেকে প্রতি সপ্তাহে ২ হাজার লিটার তেল চুরি

দক্ষিণ সুরমায় ওয়াগন ট্রেন থেকে প্রতি সপ্তাহে ২ হাজার লিটার তেল চুরি

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় রেলওয়ের ওয়াগন ট্রেন থেকে সরকারি জ্বালানি তেল চুরির এক ভয়াবহ উৎসব চলছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র প্রতি সপ্তাহে ওয়াগন ট্রেন থেকে প্রায় ২ হাজার লিটার পেট্রোল ও ডিজেল চুরি করছে। এই বিপুল পরিমাণ সরকারি সম্পদ চুরির পর তা দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন খোলা দোকানে অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই তেল চুরির মূলে রয়েছে স্থানীয় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। চক্রের অন্যতম প্রধান হোতা হিসেবে শামীম এবং নাইজ্জা নামের দুই ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তাদের প্রত্যক্ষ নেতৃত্ব ও ছত্রছায়ায় প্রতিদিন ট্রেনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে সরকারি জ্বালানি লুট করা হচ্ছে।

খোলা দোকানে অবৈধ বিক্রি ও ঝুঁকি

চুরি হওয়া এই পেট্রোল ও ডিজেল দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন মোড়ে ও খোলা দোকানে কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে। যত্রতত্র ড্রাম ও বোতলে ভরে তেল বিক্রির কারণে একদিকে সরকার যেমন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে যেকোনো সময় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের মতো ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।

সরকারি সম্পদ চুরি কতটা যৌক্তিক?

রাষ্ট্রীয় বা সরকারি সম্পদ মানেই তা দেশের সাধারণ জনগণের সম্পদ। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় কেনা এই জ্বালানি তেল চুরি করা সম্পূর্ণ অবৈধ, অনৈতিক এবং কোনো অবস্থাতেই যৌক্তিক নয়। এটি দেশের অর্থনীতিকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং আইনশৃঙ্খলার চরম অবক্ষয় প্রমাণ করে। এই ধরনের জাতীয় সম্পদ লুটের সাথে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা জরুরি।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশ ছাড়া এত বড় চুরির সিন্ডিকেট চালানো অসম্ভব। তারা অবিলম্বে শামীম ও নাইজ্জা গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


দক্ষিণ সুরমায় ওয়াগন ট্রেন থেকে প্রতি সপ্তাহে ২ হাজার লিটার তেল চুরি

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় রেলওয়ের ওয়াগন ট্রেন থেকে সরকারি জ্বালানি তেল চুরির এক ভয়াবহ উৎসব চলছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র প্রতি সপ্তাহে ওয়াগন ট্রেন থেকে প্রায় ২ হাজার লিটার পেট্রোল ও ডিজেল চুরি করছে। এই বিপুল পরিমাণ সরকারি সম্পদ চুরির পর তা দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন খোলা দোকানে অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই তেল চুরির মূলে রয়েছে স্থানীয় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। চক্রের অন্যতম প্রধান হোতা হিসেবে শামীম এবং নাইজ্জা নামের দুই ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তাদের প্রত্যক্ষ নেতৃত্ব ও ছত্রছায়ায় প্রতিদিন ট্রেনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে সরকারি জ্বালানি লুট করা হচ্ছে।

খোলা দোকানে অবৈধ বিক্রি ও ঝুঁকি

চুরি হওয়া এই পেট্রোল ও ডিজেল দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন মোড়ে ও খোলা দোকানে কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে। যত্রতত্র ড্রাম ও বোতলে ভরে তেল বিক্রির কারণে একদিকে সরকার যেমন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে যেকোনো সময় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের মতো ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।

সরকারি সম্পদ চুরি কতটা যৌক্তিক?


রাষ্ট্রীয় বা সরকারি সম্পদ মানেই তা দেশের সাধারণ জনগণের সম্পদ। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় কেনা এই জ্বালানি তেল চুরি করা সম্পূর্ণ অবৈধ, অনৈতিক এবং কোনো অবস্থাতেই যৌক্তিক নয়। এটি দেশের অর্থনীতিকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং আইনশৃঙ্খলার চরম অবক্ষয় প্রমাণ করে। এই ধরনের জাতীয় সম্পদ লুটের সাথে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা জরুরি।


স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশ ছাড়া এত বড় চুরির সিন্ডিকেট চালানো অসম্ভব। তারা অবিলম্বে শামীম ও নাইজ্জা গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত