হবিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের খোয়াই নদীর উত্তরপাড়ে সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। চাঁদাবাজির অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে শ্রমিক ও মালিকরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করলে আঞ্চলিক সড়কটিতে দীর্ঘসময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পরে পুলিশ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুরুব্বিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আশ্বাস দেওয়া হলে সাময়িকভাবে উত্তেজনা প্রশমিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বানিয়াচং-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের খোয়াই নদীর উত্তরপাড়ের সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ, সিএনজি চলাচল এবং চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
শ্রমিক ও মালিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র স্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রণের নামে সিএনজি অটোরিকশা চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে আসছে। পাশাপাশি বিভিন্নভাবে চালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়েরও চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এর প্রতিবাদ জানালেও কোনো কার্যকর সমাধান না হওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে।
তাদের দাবি, গত বৃহস্পতিবার হঠাৎ করেই সিএনজি অটোরিকশা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে শতাধিক চালক কর্মহীন হয়ে পড়েন এবং যাত্রীরাও দুর্ভোগে পড়েন। ঘটনার প্রতিবাদে শ্রমিক ও মালিকরা একত্রিত হয়ে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং নির্বিঘ্নে সিএনজি চলাচলের দাবিতে সড়কে অবস্থান নেন। এ সময় আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং অনেক যাত্রীকে বিকল্প পথে গন্তব্যে যেতে হয়।
খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে উমেদনগরসহ আশপাশের এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুরুব্বিরা উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। তারা দ্রুত সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আশ্বাস দিলে শ্রমিক-মালিকরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ বিষয়ে বানিয়াচং স্ট্যান্ড খোয়াই নদীর উত্তরপাড় মালিক সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, "উমেদনগরসহ আশপাশের এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টির স্থায়ী সমাধান করা হবে।"
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে বারবার সংঘাত ও যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিরোধের স্থায়ী সমাধান, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং সিএনজি অটোরিকশা চলাচলে স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের খোয়াই নদীর উত্তরপাড়ে সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। চাঁদাবাজির অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে শ্রমিক ও মালিকরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করলে আঞ্চলিক সড়কটিতে দীর্ঘসময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পরে পুলিশ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুরুব্বিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আশ্বাস দেওয়া হলে সাময়িকভাবে উত্তেজনা প্রশমিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বানিয়াচং-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের খোয়াই নদীর উত্তরপাড়ের সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ, সিএনজি চলাচল এবং চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
শ্রমিক ও মালিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র স্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রণের নামে সিএনজি অটোরিকশা চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে আসছে। পাশাপাশি বিভিন্নভাবে চালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়েরও চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এর প্রতিবাদ জানালেও কোনো কার্যকর সমাধান না হওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে।
তাদের দাবি, গত বৃহস্পতিবার হঠাৎ করেই সিএনজি অটোরিকশা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে শতাধিক চালক কর্মহীন হয়ে পড়েন এবং যাত্রীরাও দুর্ভোগে পড়েন। ঘটনার প্রতিবাদে শ্রমিক ও মালিকরা একত্রিত হয়ে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং নির্বিঘ্নে সিএনজি চলাচলের দাবিতে সড়কে অবস্থান নেন। এ সময় আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং অনেক যাত্রীকে বিকল্প পথে গন্তব্যে যেতে হয়।
খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে উমেদনগরসহ আশপাশের এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুরুব্বিরা উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। তারা দ্রুত সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আশ্বাস দিলে শ্রমিক-মালিকরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ বিষয়ে বানিয়াচং স্ট্যান্ড খোয়াই নদীর উত্তরপাড় মালিক সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, "উমেদনগরসহ আশপাশের এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টির স্থায়ী সমাধান করা হবে।"
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে বারবার সংঘাত ও যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিরোধের স্থায়ী সমাধান, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং সিএনজি অটোরিকশা চলাচলে স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন