ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদ রিয়াজ হোসেনের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ রবিবার (১৯ জুলাই, ২০২৬) বিকেলে কেরাণীগঞ্জের ঘাটারচর এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান, শহীদ রিয়াজের বাসভবনে গিয়ে তার পরিবার ও স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সেখানে তিনি শহীদ রিয়াজের শোকসন্তপ্ত বাবা-মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন এবং তাদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটিয়ে সার্বিক খোঁজখবর নেন।
শহীদ পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করে এমপি আমান উল্লাহ আমান বলেন, "জুলাই বিপ্লবের শহীদরা আমাদের জাতীয় বীর। শহীদ রিয়াজের মতো তরুণদের তাজা রক্ত ও অভূতপূর্ব আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজ এ দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে, মানুষ ফিরে পেয়েছে তার অধিকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশের প্রতিটি শহীদ পরিবারের পাশে থাকার স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।"
তিনি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে আরও বলেন, "শহীদদের রক্তের এই ঋণ শোধ করার ক্ষমতা আমাদের কারো নেই। তবে শহীদ রিয়াজের পরিবারসহ সকল বিপ্লবীর পরিবারকে যে কোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে এই সরকার সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাদের যে কোনো প্রয়োজনে আমরা পাশে আছি এবং থাকব।"
শহীদ রিয়াজের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর এই স্মরণসভাকে কেন্দ্র করে পুরো ঘাটারচর এলাকায় এক শোকাবহ ও স্মরণীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বীর শহীদকে স্মরণ করতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সহযোদ্ধাদের ঢল নামে।
উক্ত কর্মসূচিতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের সহযোদ্ধা, সমাজসেবক এবং কেরাণীগঞ্জের সর্বস্তরের বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদ রিয়াজ হোসেনের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ রবিবার (১৯ জুলাই, ২০২৬) বিকেলে কেরাণীগঞ্জের ঘাটারচর এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান, শহীদ রিয়াজের বাসভবনে গিয়ে তার পরিবার ও স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সেখানে তিনি শহীদ রিয়াজের শোকসন্তপ্ত বাবা-মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন এবং তাদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটিয়ে সার্বিক খোঁজখবর নেন।
শহীদ পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করে এমপি আমান উল্লাহ আমান বলেন, "জুলাই বিপ্লবের শহীদরা আমাদের জাতীয় বীর। শহীদ রিয়াজের মতো তরুণদের তাজা রক্ত ও অভূতপূর্ব আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজ এ দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে, মানুষ ফিরে পেয়েছে তার অধিকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশের প্রতিটি শহীদ পরিবারের পাশে থাকার স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।"
তিনি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে আরও বলেন, "শহীদদের রক্তের এই ঋণ শোধ করার ক্ষমতা আমাদের কারো নেই। তবে শহীদ রিয়াজের পরিবারসহ সকল বিপ্লবীর পরিবারকে যে কোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে এই সরকার সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাদের যে কোনো প্রয়োজনে আমরা পাশে আছি এবং থাকব।"
শহীদ রিয়াজের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর এই স্মরণসভাকে কেন্দ্র করে পুরো ঘাটারচর এলাকায় এক শোকাবহ ও স্মরণীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বীর শহীদকে স্মরণ করতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সহযোদ্ধাদের ঢল নামে।
উক্ত কর্মসূচিতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের সহযোদ্ধা, সমাজসেবক এবং কেরাণীগঞ্জের সর্বস্তরের বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন