ব্যবসায়িক লোকসান আর পাওনাদারের দেনা থেকে বাঁচতে নিজেই নিজের অপহরণের মিথ্যা নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের হলুদবিহার গ্রামের মৃত ইসমাইলহোসেন ছেলে আল মাহমুদ আচাবী বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অবশেষে পারিবারিক মধ্যস্থতায় বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আল মাহমুদ আচাবী এলাকায় একটি এনজিও পরিচালনা করতেন। সম্প্রতি ব্যবসায় বড় অঙ্কের আর্থিক লোকসান হওয়ায় তিনি চরম সংকটে পড়েন। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে তিনি তাঁর ভগ্নিপতির আপন ছোট ভাই মোঃ ছানোয়ার হোসেনের কাছ থেকে বিভিন্ন দফায় মোট ১২ লক্ষ টাকা ধার নেন।
টাকা নেওয়ার পর দীর্ঘদিন পার হলেও আচাবী তা পরিশোধ করতে পারছিলেন না। ছানোয়ার হোসেন পাওনা টাকা ফেরত চাইলে আচাবী কাল-ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে পাওনা টাকা দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলে, তা থেকে বাঁচতে এবং পাওনাদারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আচাবী নিজে আত্মগোপনে গিয়ে অপহরণের এক রোমাঞ্চকর মিথ্যা নাটক সাজান।
আচাবীর হঠাৎ নিখোঁজ ও অপহরণের খবরে পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরবর্তীতে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে, দেনার দায় থেকে বাঁচতেই তিনি এই অপহরণের গল্প সাজিয়ে ছিলেন।
মিথ্যা অপহরণের বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে আচাবীর বড় বোন নাজমা বেগম এগিয়ে আসেন। তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় ও পারিবারিক মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষকে নিয়ে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আচাবী তাঁর ভুল স্বীকার করেন এবং পাওনা টাকা পরিশোধের বিষয়ে উভয় পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে দেনা এড়াতে এভাবে অপহরণের নাটক সাজানোর ঘটনায় এলাকায় বেশ আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
ব্যবসায়িক লোকসান আর পাওনাদারের দেনা থেকে বাঁচতে নিজেই নিজের অপহরণের মিথ্যা নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের হলুদবিহার গ্রামের মৃত ইসমাইলহোসেন ছেলে আল মাহমুদ আচাবী বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অবশেষে পারিবারিক মধ্যস্থতায় বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আল মাহমুদ আচাবী এলাকায় একটি এনজিও পরিচালনা করতেন। সম্প্রতি ব্যবসায় বড় অঙ্কের আর্থিক লোকসান হওয়ায় তিনি চরম সংকটে পড়েন। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে তিনি তাঁর ভগ্নিপতির আপন ছোট ভাই মোঃ ছানোয়ার হোসেনের কাছ থেকে বিভিন্ন দফায় মোট ১২ লক্ষ টাকা ধার নেন।
টাকা নেওয়ার পর দীর্ঘদিন পার হলেও আচাবী তা পরিশোধ করতে পারছিলেন না। ছানোয়ার হোসেন পাওনা টাকা ফেরত চাইলে আচাবী কাল-ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে পাওনা টাকা দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলে, তা থেকে বাঁচতে এবং পাওনাদারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আচাবী নিজে আত্মগোপনে গিয়ে অপহরণের এক রোমাঞ্চকর মিথ্যা নাটক সাজান।
আচাবীর হঠাৎ নিখোঁজ ও অপহরণের খবরে পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরবর্তীতে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে, দেনার দায় থেকে বাঁচতেই তিনি এই অপহরণের গল্প সাজিয়ে ছিলেন।
মিথ্যা অপহরণের বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে আচাবীর বড় বোন নাজমা বেগম এগিয়ে আসেন। তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় ও পারিবারিক মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষকে নিয়ে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আচাবী তাঁর ভুল স্বীকার করেন এবং পাওনা টাকা পরিশোধের বিষয়ে উভয় পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে দেনা এড়াতে এভাবে অপহরণের নাটক সাজানোর ঘটনায় এলাকায় বেশ আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন