কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের লক্ষিপুর গ্রামে এক সেচ প্রকল্প মালিকের জবাই করা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম অহিদ ভুইয়া (৬০)। তিনি ওই এলাকার মৃত দুদ মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় বিএডিসির সেচ কাজ দেখাশোনা করতেন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে লক্ষিপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার বাড়ির পুকুর থেকে তার ভাসমান লাশটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা সকালে পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে তাৎক্ষণিকভাবে মুরাদনগর থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে গলাকাটা অবস্থায় নিহতের মরদেহটি পানি থেকে তোলে। পরে নিহতের স্বজনরা এসে লাশটি অহিদ ভুইয়ার বলে নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহিন উদ্দিন জানান, সংবাদ পেয়ে তারা ঘটনাস্থল থেকে গলাকাটা মরদেহটি উদ্ধার করেছেন। সুরতহাল শেষে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, নিহত অহিদ ভুইয়া যে সেচ প্রকল্প চালাতেন, তার ঘর থেকে আনুমানিক ৪০০ গজ দূরে পুকুরটিতে লাশটি পাওয়া যায়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময়ে অপরাধীরা তাকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করার পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে পুকুরে ফেলে যায়।
এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের লক্ষিপুর গ্রামে এক সেচ প্রকল্প মালিকের জবাই করা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম অহিদ ভুইয়া (৬০)। তিনি ওই এলাকার মৃত দুদ মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় বিএডিসির সেচ কাজ দেখাশোনা করতেন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে লক্ষিপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার বাড়ির পুকুর থেকে তার ভাসমান লাশটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা সকালে পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে তাৎক্ষণিকভাবে মুরাদনগর থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে গলাকাটা অবস্থায় নিহতের মরদেহটি পানি থেকে তোলে। পরে নিহতের স্বজনরা এসে লাশটি অহিদ ভুইয়ার বলে নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহিন উদ্দিন জানান, সংবাদ পেয়ে তারা ঘটনাস্থল থেকে গলাকাটা মরদেহটি উদ্ধার করেছেন। সুরতহাল শেষে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, নিহত অহিদ ভুইয়া যে সেচ প্রকল্প চালাতেন, তার ঘর থেকে আনুমানিক ৪০০ গজ দূরে পুকুরটিতে লাশটি পাওয়া যায়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময়ে অপরাধীরা তাকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করার পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে পুকুরে ফেলে যায়।
এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন