পারিবারিক কবরস্থান কোমর পানিতে ডুবে যাওয়ায় বানের পানিতে ভেলা বানিয়ে তার ওপর কফিন রেখে নিয়ে যাওয়া হয় ৩০০ মিটার দূরের উঁচু এলাকায়। তারপর অটোরিকশায় আরও দুই কিলোমিটার।ভেলায় ভাসিয়ে নেওয়া মোহাম্মদ ফোরকানের কফিনটি অতঃপর দাফন।শুক্রবার (১০জুলাই) চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় কেঁওচিয়া ইউনিয়নে এ ঘঠনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালেওে বন্যার পানিতে জাল দিয়ে মাছও ধরেছিলেন ফোরকান। হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন তিনি। এরপর বাড়িতেই মারা যান। কিন্তু পারিবারিক কবরস্থান ডুবে থাকায় দাফন করা সম্ভব হয়নি।
ফকির মুড়া ঈদগাহ এলাকায় রাত ১০টার দিকে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে সেখানে পাহাড়ের খাস জায়গায় দাফন করা হয় ফোরকানকে। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর বড় ছেলে হাফেজ রাশেদুল ইসলাম।
মো. ফোরকানের ছেলে রাসেল উদ্দিন জানান, বাড়ির পাশেই পারিবারিক কবরস্থান আছে। আমার দাদা-দাদিসহ পরিবারের মুরুব্বিদের সেখানে কবর দেওয়া হয়েছে। বাবাও বলতেন, তাঁকে দাদা-দাদির পাশেই কবর দিতে। কিন্তু বন্যার কারণে বাবার সেই ইচ্ছা পূরণ করা সম্ভব হলো না বন্যার কারণে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
পারিবারিক কবরস্থান কোমর পানিতে ডুবে যাওয়ায় বানের পানিতে ভেলা বানিয়ে তার ওপর কফিন রেখে নিয়ে যাওয়া হয় ৩০০ মিটার দূরের উঁচু এলাকায়। তারপর অটোরিকশায় আরও দুই কিলোমিটার।ভেলায় ভাসিয়ে নেওয়া মোহাম্মদ ফোরকানের কফিনটি অতঃপর দাফন।শুক্রবার (১০জুলাই) চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় কেঁওচিয়া ইউনিয়নে এ ঘঠনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালেওে বন্যার পানিতে জাল দিয়ে মাছও ধরেছিলেন ফোরকান। হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন তিনি। এরপর বাড়িতেই মারা যান। কিন্তু পারিবারিক কবরস্থান ডুবে থাকায় দাফন করা সম্ভব হয়নি।
ফকির মুড়া ঈদগাহ এলাকায় রাত ১০টার দিকে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে সেখানে পাহাড়ের খাস জায়গায় দাফন করা হয় ফোরকানকে। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর বড় ছেলে হাফেজ রাশেদুল ইসলাম।
মো. ফোরকানের ছেলে রাসেল উদ্দিন জানান, বাড়ির পাশেই পারিবারিক কবরস্থান আছে। আমার দাদা-দাদিসহ পরিবারের মুরুব্বিদের সেখানে কবর দেওয়া হয়েছে। বাবাও বলতেন, তাঁকে দাদা-দাদির পাশেই কবর দিতে। কিন্তু বন্যার কারণে বাবার সেই ইচ্ছা পূরণ করা সম্ভব হলো না বন্যার কারণে।

আপনার মতামত লিখুন