ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণ,জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ, সমন্বিত উদ্যোগের অভাব

চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণ,জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ, সমন্বিত উদ্যোগের অভাব

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের প্রভাবে চট্টগ্রাম নগরীতে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গায় ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে, যা নগরবাসীর জনজীবনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানিয়ে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম বলেন, এ সময়ে ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

তিনি জানান, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। পাশাপাশি ভারী বর্ষণের কারণে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের আশঙ্কাও রয়েছে।

অতি ভারী বৃষ্টিতে পতেঙ্গা, আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জ, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, মোহরা ও বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে গেছে। এতে বহু সড়ক ডুবে যায় এবং সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়। জলাবদ্ধতার কারণে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ও অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

চাকরিজীবী, বিমানবন্দরগামী যাত্রী, পথচারী, জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ এবং দিনমজুররা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। গণপরিবহন চলাচলও কমে গেছে এবং ব্যক্তিগত যানবাহনের উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলক কম।

সকালে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি পরিদর্শনে বের হন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি দাবি করেন, টানা ভারী বর্ষণের মধ্যেও আগের তুলনায় নগরীর জলাবদ্ধতা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কমেছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত মেয়র প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী বলেন, শুলকবহরসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো তীব্র জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে। তিনি সমন্বিত উদ্যোগের অভাবকেই এ পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তর নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় বাইরে বের না হওয়া এবং পাহাড়সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণ,জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ, সমন্বিত উদ্যোগের অভাব

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের প্রভাবে চট্টগ্রাম নগরীতে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গায় ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে, যা নগরবাসীর জনজীবনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানিয়ে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম বলেন, এ সময়ে ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

তিনি জানান, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। পাশাপাশি ভারী বর্ষণের কারণে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের আশঙ্কাও রয়েছে।

অতি ভারী বৃষ্টিতে পতেঙ্গা, আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জ, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, মোহরা ও বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে গেছে। এতে বহু সড়ক ডুবে যায় এবং সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়। জলাবদ্ধতার কারণে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ও অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

চাকরিজীবী, বিমানবন্দরগামী যাত্রী, পথচারী, জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ এবং দিনমজুররা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। গণপরিবহন চলাচলও কমে গেছে এবং ব্যক্তিগত যানবাহনের উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলক কম।

সকালে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি পরিদর্শনে বের হন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি দাবি করেন, টানা ভারী বর্ষণের মধ্যেও আগের তুলনায় নগরীর জলাবদ্ধতা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কমেছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত মেয়র প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী বলেন, শুলকবহরসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো তীব্র জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে। তিনি সমন্বিত উদ্যোগের অভাবকেই এ পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তর নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় বাইরে বের না হওয়া এবং পাহাড়সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত