অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মধ্য দিয়ে শুরু হয় লিখিত পরীক্ষা, যা চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির ২৮৩টি কলেজের ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। যার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ১১ হাজার ২৫৫ জন ছাত্র ও ১২ হাজার ৬৪৮ জন ছাত্রীসহ মোট ২৩ হাজার ৯০৩ জন, মানবিক বিভাগে ৪৪ হাজার ২৩৮ জন, যার মধ্যে ১৬ হাজার ৩৪২ জন ছাত্র ও ২৭ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৫ হাজার ৫৮৫ জন ছাত্র এবং ১৫ হাজার ৯৫৪ জন ছাত্রীসহ ৩১ হাজার ৫৩৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এরপর শুরু হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।
সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল সাড়ে ৯টায় অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ, সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ, সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে পৌঁছে যান। ব্যবহারিক বিষয় সম্বলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।
অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭০ হাজার ৯৭৪ জন। কক্সবাজারে ১২ হাজার ২৫৫, রাঙামাটি জেলায় ৫ হাজার ৪৩৯, খাগড়াছড়িতে ৭ হাজার ৩৫৩ জন ও বান্দরবান জেলায় ৩ হাজার ৬৬৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন।
চট্টগ্রাম জেলার ৬৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৬টি কেন্দ্র চট্টগ্রাম মহানগরে। এর বাইরে কক্সবাজার জেলায় ১৮টি, বান্দরবানে আটটি এবং রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ১০টি করে কেন্দ্র রয়েছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু, কেন্দ্র নকলমুক্ত রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রশ্নফাঁসের গুজব প্রতিরোধ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গুজব থেকে পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষা দিতে সব কোচিং সেন্টার পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য শিক্ষাবোর্ডের পক্ষ থেকে ২৩টি ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মধ্য দিয়ে শুরু হয় লিখিত পরীক্ষা, যা চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির ২৮৩টি কলেজের ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। যার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ১১ হাজার ২৫৫ জন ছাত্র ও ১২ হাজার ৬৪৮ জন ছাত্রীসহ মোট ২৩ হাজার ৯০৩ জন, মানবিক বিভাগে ৪৪ হাজার ২৩৮ জন, যার মধ্যে ১৬ হাজার ৩৪২ জন ছাত্র ও ২৭ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৫ হাজার ৫৮৫ জন ছাত্র এবং ১৫ হাজার ৯৫৪ জন ছাত্রীসহ ৩১ হাজার ৫৩৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এরপর শুরু হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।
সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল সাড়ে ৯টায় অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ, সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ, সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে পৌঁছে যান। ব্যবহারিক বিষয় সম্বলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।
অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭০ হাজার ৯৭৪ জন। কক্সবাজারে ১২ হাজার ২৫৫, রাঙামাটি জেলায় ৫ হাজার ৪৩৯, খাগড়াছড়িতে ৭ হাজার ৩৫৩ জন ও বান্দরবান জেলায় ৩ হাজার ৬৬৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন।
চট্টগ্রাম জেলার ৬৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৬টি কেন্দ্র চট্টগ্রাম মহানগরে। এর বাইরে কক্সবাজার জেলায় ১৮টি, বান্দরবানে আটটি এবং রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ১০টি করে কেন্দ্র রয়েছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু, কেন্দ্র নকলমুক্ত রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রশ্নফাঁসের গুজব প্রতিরোধ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গুজব থেকে পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষা দিতে সব কোচিং সেন্টার পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য শিক্ষাবোর্ডের পক্ষ থেকে ২৩টি ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন