ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

পুলিশের নীরবতায় চলছে ‘লাকসামি ফারুকের’ দিনরাত জুয়ার বোর্ড

পুলিশের নীরবতায় চলছে ‘লাকসামি ফারুকের’ দিনরাত জুয়ার বোর্ড

সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমা পুরাতন রেলগেট এলাকায় থানা পুলিশের অভিযানের পরও থামছে না চিহ্নিত জুয়াড়ি ‘লাকসামি ফারুকের’ প্রকাশ্য জুয়ার আসর। দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ একাধিকবার অভিযান চালালেও স্থান পরিবর্তনের চতুর কৌশলে ফারুক ও তার স্টাফরা দিনরাত এই অবৈধ জুয়ার বোর্ড সচল রেখেছে।

 স্থানীয়দের অভিযোগ, জুয়ার বর্তমান স্পটটি রেলওয়ে (GRP) থানার অধীনে হওয়ায় এবং জিআরপি পুলিশের রহস্যজনক নীরবতার কারণে কোনোভাবেই এই সিন্ডিকেট দমন করা যাচ্ছে না।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ সুরমা পুরাতন রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার আস্তানা গেড়েছে লাকসামি ফারুক ও তার চক্র। সাধারণ মানুষের চোখের সামনেই দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টা সেখানে লাখ লাখ টাকার জুয়া খেলা চলছে। এতে করে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে এবং দিন দিন চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে।সম্প্রতি দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ওই এলাকায় জুয়া বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। কিন্তু চতুর ফারুক ও তার সহযোগীরা কৌশল বদলে জিআরপি (রেলওয়ে) থানার আওতাধীন সীমানার ভেতরে জুয়ার বোর্ড স্থানান্তর করে। 

আইনগত এখতিয়ারের মারপ্যাঁচে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ সেখানে সহজে প্রবেশ করতে না পারার সুযোগটিকে পুরোপুরি কাজে লাগাচ্ছে এই চক্র।এলাকাবাসীর অভিযোগ, রেলওয়ের জমিতে প্রকাশ্য দিবালোকে এই অপরাধযজ্ঞ চললেও রেলওয়ে (জিআরপি) থানা পুলিশ সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করছে। জিআরপি পুলিশের এই নিষ্ক্রিয়তা ও উদাসীনতা এখন স্থানীয়দের মনে তীব্র সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। অপরাধীদের সাথে রেলওয়ে পুলিশের কোনো যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

এলাকার আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক পরিবেশ রক্ষার্থে লাকসামি ফারুকের জুয়াড়ি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিআরপি ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যৌথ এবং কঠোর অভিযান জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


পুলিশের নীরবতায় চলছে ‘লাকসামি ফারুকের’ দিনরাত জুয়ার বোর্ড

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬

featured Image

সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমা পুরাতন রেলগেট এলাকায় থানা পুলিশের অভিযানের পরও থামছে না চিহ্নিত জুয়াড়ি ‘লাকসামি ফারুকের’ প্রকাশ্য জুয়ার আসর। দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ একাধিকবার অভিযান চালালেও স্থান পরিবর্তনের চতুর কৌশলে ফারুক ও তার স্টাফরা দিনরাত এই অবৈধ জুয়ার বোর্ড সচল রেখেছে।

 স্থানীয়দের অভিযোগ, জুয়ার বর্তমান স্পটটি রেলওয়ে (GRP) থানার অধীনে হওয়ায় এবং জিআরপি পুলিশের রহস্যজনক নীরবতার কারণে কোনোভাবেই এই সিন্ডিকেট দমন করা যাচ্ছে না।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ সুরমা পুরাতন রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার আস্তানা গেড়েছে লাকসামি ফারুক ও তার চক্র। সাধারণ মানুষের চোখের সামনেই দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টা সেখানে লাখ লাখ টাকার জুয়া খেলা চলছে। এতে করে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে এবং দিন দিন চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে।সম্প্রতি দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ওই এলাকায় জুয়া বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। কিন্তু চতুর ফারুক ও তার সহযোগীরা কৌশল বদলে জিআরপি (রেলওয়ে) থানার আওতাধীন সীমানার ভেতরে জুয়ার বোর্ড স্থানান্তর করে। 

আইনগত এখতিয়ারের মারপ্যাঁচে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ সেখানে সহজে প্রবেশ করতে না পারার সুযোগটিকে পুরোপুরি কাজে লাগাচ্ছে এই চক্র।এলাকাবাসীর অভিযোগ, রেলওয়ের জমিতে প্রকাশ্য দিবালোকে এই অপরাধযজ্ঞ চললেও রেলওয়ে (জিআরপি) থানা পুলিশ সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করছে। জিআরপি পুলিশের এই নিষ্ক্রিয়তা ও উদাসীনতা এখন স্থানীয়দের মনে তীব্র সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। অপরাধীদের সাথে রেলওয়ে পুলিশের কোনো যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

এলাকার আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক পরিবেশ রক্ষার্থে লাকসামি ফারুকের জুয়াড়ি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিআরপি ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যৌথ এবং কঠোর অভিযান জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত