ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

৬ মাস পর খুললো পাগলা মসজিদের দানবাক্স, পাওয়া গেল ৪৩ বস্তা টাকা

প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
৬ মাস পর খুললো পাগলা মসজিদের দানবাক্স, পাওয়া গেল ৪৩ বস্তা টাকা

দীর্ঘ ছয় মাস পর অবশেষে খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিনের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

সাধারণত তিন থেকে চার মাস পরপর এই মসজিদের সিন্দুকগুলো খোলা হলেও, এবার খোলা হলো দীর্ঘ ছয় মাস পর। আর সময় বেশি নেওয়ায় এবার জমা হওয়া টাকার পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, মসজিদের ১৩টি দানবাক্স থেকে মোট ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। কড়া নিরাপত্তায় এখন চলছে টাকা গণনার কাজ।

এর আগে সবশেষ গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। সে সময় ১৩টি সিন্দুকে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল, যা গণনা শেষে রেকর্ড ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা দাঁড়ায়। এ ছাড়া সেবার বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকারও পাওয়া গিয়েছিল।

সব ধর্মের মানুষের কাছেই কিশোরগঞ্জের এই পাগলা মসজিদ এক সার্বজনীন পবিত্র ধর্মীয় কেন্দ্র। জনশ্রুতি রয়েছে, একনিষ্ঠ নিয়তে এই মসজিদে দান করলে মনের বাসনা পূরণ হয়। রোগমুক্তি, উচ্চশিক্ষা কিংবা সন্তান লাভের মতো নানা মানত নিয়ে মানুষ এখানে নগদ টাকা ছাড়াও স্বর্ণালংকার, হাঁস-মুরগি, গবাদি পশুসহ বিভিন্ন সামগ্রী দান করে থাকেন।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


৬ মাস পর খুললো পাগলা মসজিদের দানবাক্স, পাওয়া গেল ৪৩ বস্তা টাকা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ ছয় মাস পর অবশেষে খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিনের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

সাধারণত তিন থেকে চার মাস পরপর এই মসজিদের সিন্দুকগুলো খোলা হলেও, এবার খোলা হলো দীর্ঘ ছয় মাস পর। আর সময় বেশি নেওয়ায় এবার জমা হওয়া টাকার পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, মসজিদের ১৩টি দানবাক্স থেকে মোট ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। কড়া নিরাপত্তায় এখন চলছে টাকা গণনার কাজ।

এর আগে সবশেষ গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। সে সময় ১৩টি সিন্দুকে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল, যা গণনা শেষে রেকর্ড ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা দাঁড়ায়। এ ছাড়া সেবার বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকারও পাওয়া গিয়েছিল।

সব ধর্মের মানুষের কাছেই কিশোরগঞ্জের এই পাগলা মসজিদ এক সার্বজনীন পবিত্র ধর্মীয় কেন্দ্র। জনশ্রুতি রয়েছে, একনিষ্ঠ নিয়তে এই মসজিদে দান করলে মনের বাসনা পূরণ হয়। রোগমুক্তি, উচ্চশিক্ষা কিংবা সন্তান লাভের মতো নানা মানত নিয়ে মানুষ এখানে নগদ টাকা ছাড়াও স্বর্ণালংকার, হাঁস-মুরগি, গবাদি পশুসহ বিভিন্ন সামগ্রী দান করে থাকেন।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত